1. rkarimlalmonirhat@gmail.com : Rezaul Karim Manik : Rezaul Karim Manik
  2. maniklalrangpur@gmail.com : রংপুর সংবাদ : রংপুর সংবাদ
পাটগ্রামে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করল প্রাথমিকের শিক্ষকরা - রংপুর সংবাদ
মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন

পাটগ্রামে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করল প্রাথমিকের শিক্ষকরা

এসডি দোহা,পাটগ্রাম
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১
  • ১১৮ জন নিউজটি পড়েছেন

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামকে ঘন্টাব্যাপী অবরুদ্ধ করে রাখে উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষক।

মঙ্গলবার (০৪ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় শিক্ষকরা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ও ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
জানা গেছে, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ১৩ তম গ্রেডে উন্নীত করেন। ঘোষিত গ্রেড অনুযায়ী দেশের অন্যান্য উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার মাধ্যমে সফটওয়্যার আইবাস প্লাস ও পে ফিক্সিশনে তথ্য হাল নাগাদ করে বেতন উত্তোলন করে। তথ্য হালনাগাদ করতে পাটগ্রাম উপজেলার শিক্ষকরা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার নিকট জমা দেয়। শিক্ষকদের অভিযোগ হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার দাবিকৃত উৎকোচ না দেয়ায় দুই কার্যালয়ের মধ্যে ফাইল চালাচালি করে শিক্ষকদের হয়রানি করা হয়। তথ্য হালনাগাদ না হওয়ায় ঈদ সন্নিকট অবস্থায় শত শত শিক্ষকের বেতন ও বোনাস উত্তোলণে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এতে শিক্ষকরা ক্ষুব্ধ হয়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামকে ঘন্টাব্যাপী অবরুদ্ধ করে রাখে। এরপর শিক্ষকরা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় ঘেরাও করেও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে । পরে উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে যায়।

পাটগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমীন বাবুল হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল হোসেন এবং বিক্ষুব্ধ শিক্ষকদের নিয়ে প্রায় একঘন্টাব্যাপী যৌথ আলোচনাসভা করেন। সভা শেষে ঈদের আগেই শিক্ষকদের বেতন,বোনাস উত্তোলণের বিষয়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাকে কাজ করতে বলেন তিনি।

ছাট-পানবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুর রহিম প্রামানিক লিবন বলেন, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম শিক্ষকদের তথ্য হালনাগাদ না করে হয়রানি করে আসছেন। তাই ক্ষুব্ধ শিক্ষকরা তাঁকে অবরুদ্ধ করে।
২ নং ভোটহাট খাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আলমগীর হোসেন, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয়না। শিক্ষকদের শুধু না হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মানুষকে মানুষ মনে করেনা । তিনি টাকাকে প্রাধাণ্য দেন।

এ বিষয়ে পাটগ্রাম উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাদের এখানে কোনো টাকা পয়সা নেয়া হয় না। শিক্ষকদের এনআইডি দিয়ে টেস্ট করেছি। আইবাস ম্যানেজমেন্টের সমস্যা আছে। চেষ্টা করা হচ্ছে ঠিক করার জন্য ।

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

Leave a Reply

এই ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

© ২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রংপুর সংবাদ.কম
Theme Customization By NewsSun