রংপুর সংবাদ » রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রস্তুত ১৪১ বেড

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রস্তুত ১৪১ বেড


রংপুর সংবাদ মার্চ ১০, ২০২০, ১১:৩৭ অপরাহ্ন
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রস্তুত ১৪১ বেড

রংপুর প্রতিনিধিঃকরোনাভাইরাস প্রতিরোধে রংপুরে প্রাথমিকভাবে হাসপাতালে ১৪১টি বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এরমধ্যে কোয়ারেন্টাইন ওয়ার্ডে ১০০ এবং আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৪১ বেড রয়েছে।

পাশাপাশি সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানের জন্য কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। যে কোন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যসেবা দিতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের।

রংপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. হিরম্ব কুমার রায় রংপুর সংবাদকে জানান, করোনাভাইরাসে আতঙ্ক না হয়ে সচেতনতা সৃষ্টি বেশি জরুরি। সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি প্রাথমিকভাবে আক্রান্তদের চিকিৎসা ও রোগ প্রতিরোধে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রংপুর শিশু হাসপাতাল ও হারাগাছ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই ক্যাটাগরিতে ১৪১টি বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

হিরম্ব কুমার রায় রংপুর সংবাদকে বলেন, প্রাথমিক প্রস্তুতির মধ্যে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আলাদাভাবে ১০ বেডের একটি আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু রাখা হয়েছে। এছাড়াও প্রয়োজনে হারাগাছে ৩১ শয্যার একটি আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হবে।

আইসোলেশন ওয়ার্ডের পাশাপাশি নবনির্মিত ১০০ শয্যার রংপুর শিশু হাসপাতালটিকে আপাতত কোয়ারেন্টাইন ওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত রংপুরে এই রোগে আক্রান্ত কোন রোগী শনাক্ত হয়নি।

এদিকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও মনিটরিংয়ে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি ১১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে জেলা প্রশাসক আসিব আহসান সভাপতি ও সিভিল সার্জন ডা. হিরম্ব কুমার রায় সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্তের লক্ষণ দেখা দিলে বা করোনাভাইরাস সংক্রান্ত যেকোন তথ্য এবং সেবার জন্য কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করার আহবান জানিয়েছেন সিভিল সার্জন। প্রয়োজনে সার্বক্ষণিক খোলা থাকা কন্ট্রোল রুমের ০১৭১৮-৫৬৪-১৭২ অথবা ০৫২১-৬২১৫০ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে এক চীনা নাগরিকসহ চীন ফেরত দুই শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছিলেন। রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) লোকজন এসে প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করে তাদের শরীরে করোনাভাইরাস পাননি।