রংপুর সংবাদ » শিশুদের মানষিক ও শারিরিক বিকাশে শিশুদের সংগঠন প্রয়োজন

শিশুদের মানষিক ও শারিরিক বিকাশে শিশুদের সংগঠন প্রয়োজন


রংপুর সংবাদ ফেব্রুয়ারী ২২, ২০২০, ৭:৪১ অপরাহ্ন
শিশুদের মানষিক ও শারিরিক বিকাশে শিশুদের সংগঠন প্রয়োজন

পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধিঃ
দূর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক অতিরিক্ত সচীব আ ন ম আল ফিরোজ বলেছেন, শিশুদের মানষিক ও শারিরিক বিকাশে শিশুদের সংগঠন প্রয়োজন। শিশুরা যাতে আনন্দময় শৈশব পায়, সেজন্য শিশুদের প্রতি মনোযোগি হতে হবে।

তিনি শনিবার বিকেলে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ঐতিহ্যবাহী সাম্য খেলাঘর আসরের ১৪তম দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন।

সম্মেলন প্রস্তুতি পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. আবু সুফিয়ান হিরুর সভাপতিত্বে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার রাজস্ব আবু তাহের মোহাম্মদ মাসুদ রানা, জেলা প্রশাসক আসিব আহসান, পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজিমুল ইসলাম শামিম, কেন্দ্রীয় খেলাঘর শিশু সংগঠক সদস্য জহিরুল ইসলাম জহির, ৯৩ বছর বয়স্ক ওই খেলাঘরের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য আবুল কাশেম মিয়া বক্তৃতা করেন। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সম্মেলন প্রস্তুতি পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. আবু সুফিয়ান হিরু ও আহবায়ক এনামুল হক।

দুপুরে প্রধান, বিশেষ অতিথি মহোদয় জাতীয় ও সাংগঠনিক পতাকা উত্তোলন এবং পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। এ সময় খেলাঘরের কচি কচি কোমল মতি শিশুরা মনোমুগ্ধকর কুজকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শণ করে। পরে খেলাঘরের আজীবন সদস্য, পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজিমুল ইসলাম শামিমের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলা সদরের প্রধান সড়ক সমুহ প্রদক্ষিণ করে।

মহাপরিচালক আরও বলেন, সংগঠনের মাধ্যমে শিশু ও শৈশব কেটেছে তাঁর। স্বাধীনচেতা ও মুক্তমনের মানুষরা আজ থেকে ৪৭ বছর আগে সাম্য খেলাঘর প্রতিষ্ঠা করেছিল। ভাষার মাসে ভাষা শহীদদের শ্বরণ করে মঞ্চের পাশে নির্মিত শহীদ মিনার দেখিয়ে তিনি বলেন, শহীদ মিনার চেতনাকে উদযীবিত করে। ৫২ পথ ধরে ৭১ সালের স্বাধীনতা এসেছে।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর লিখিত আত্মজীবনী থেকে জানা যায়, বঙ্গবন্ধু লিখেছিলেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন ছিল সবসময়, ৪৮ থেকে ৫২ ভাষা নিয়ে আন্দোলন ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন। ৭০ নির্বাচনে জয় লাভের পরও সরকার গঠন করতে না দেওয়া ছিল অন্যায়, সেই অন্যায়ের বিরুদ্ধেও আন্দোলন হয়েছে।

অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিশুদের খুব ভালবাসেন, সময় পেলেই তিনি শিশুদের নিয়ে খেলা করেন।
জেলা প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আর্কষন করে তিনি বলেন, শিশু ও কিশোররা যাতে নির্যাতিত না হয় সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।