রংপুর সংবাদ » বাংলাদেশ সীমান্তে হত্যা বন্ধে আবারও প্রতিশ্রুতি বিএসএফ’র

বাংলাদেশ সীমান্তে হত্যা বন্ধে আবারও প্রতিশ্রুতি বিএসএফ’র


রংপুর সংবাদ ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০২০, ৬:২৬ অপরাহ্ন
বাংলাদেশ সীমান্তে হত্যা বন্ধে আবারও প্রতিশ্রুতি বিএসএফ’র

নিজস্ব প্রতিবেদকঃরাজশাহী সীমান্তে হত্যা বন্ধে আবারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

বুধবার বিজিবি-বিএসএফের সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠকে এ প্রতিশ্রুতি দেয় বিএসএফ। সোনাইকান্দি বিওপির ওপারে পদ্মার চরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিএসএফ এই বৈঠকের আয়োজন করে।

এসময় আগামীতে সীমান্ত হত্যা বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএসএফ।

বৈঠককে উপস্থিত এক কর্মকর্তা জানান, ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফের বহরমপুর সেক্টরের ডিআইজি কুনাল মজুমদারের নেতৃত্বে ৩৫ ব্যাটেলিয়নের শীর্ষ কর্মকর্তারা বৈঠকে হাজির হন। আর বিজিবি’র পক্ষে নেতৃত্বে ছিলেন রাজশাহী সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল তুহিন মাসুদ।

বৈঠকে রাজশাহী অঞ্চলে বিএসএফের গুলিতে নিহতের ঘটনাগুলোর প্রতিবাদ জানানো হয় বিজিবির পক্ষ থেকে। বলা হয়, গেল এক মাসে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ সীমান্তে অন্তত ৯ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছে। যা অনাকাঙ্ক্ষিত। কেউ ভুল করে ভারতীয় সীমানায় অনুপ্রবেশ করলে রেওয়াজ অনুযায়ী পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিজিবির কাছে হস্তান্তরের অনুরোধ জানানো হয়।

এসময় তুলে ধরা হয়, গেল ৩১ জানুয়ারি রাজশাহীর পবা উপজেলার সোনাইকান্দি বিওপি এলাকার পদ্মা থেকে ৫ জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ।

বিএসএফ কমান্ডারকে বিজিবি জানায়, বাংলাদেশের ভিতরে পদ্মা নদীতে স্প্রীড বোর্ডে করে ধাওয়া দিয়ে তাদের ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ। ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনার ফুটেজও দেখানো হয়েছে বিএসএফকে।

বিজিবি’র পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, এ ঘটনার প্রথম দফা পতাকা বৈঠকে বসার প্রতিশ্রুতি দিলেও বিএসএফ হাজির হয়নি। পরে দ্বিতীয় দফায় পতাকা বৈঠক হলেও বাংলাদেশি ৫ জেলেকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। বরং উল্টো ভারতীয় ভূ-খণ্ডে অনুপ্রবেশের অভিযোগ এনে মুর্শিদাবাদ পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

জবাবে সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বিএসএফ পাল্টা অভিযোগ করেছে, বিশেষ করে গরু চোরাকারবারিরা বিএসএফের বাধা উপেক্ষা করে ভারতে ঢুকে পড়ে। অনেক সময় চোরাকারবারিরা হামলাও করে। তখন বাধ্য হয়ে গুলি চালানো হয়। তবে এ বৈঠকের পর সীমান্তে সহবস্থান নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএসএফ।