1. rkarimlalmonirhat@gmail.com : Rezaul Karim Manik : Rezaul Karim Manik
  2. kibriyalalmonirhat84@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  3. mukulrangpur16@gmail.com : Saiful Islam Mukul : Saiful Islam Mukul
  4. maniklalrangpur@gmail.com : রংপুর সংবাদ : রংপুর সংবাদ
বুড়িমারীতে জুয়েল হত্যা : হাইকোর্টে আরও ৪ আসামির জামিন | রংপুর সংবাদ
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০১:৫২ অপরাহ্ন

বুড়িমারীতে জুয়েল হত্যা : হাইকোর্টে আরও ৪ আসামির জামিন

লালমনিরহাট প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : সোমবার, ৭ জুন, ২০২১
  • ১৯

লালমনিরহাটের বুড়িমারী উপজেলায় শহিদুন্নবী জুয়েল নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর ঘটনায় গ্রেফতার চার আসামির জামিন মঞ্জুর করেছেন হাইকোর্ট।

জামিন সংক্রান্ত শুনানি নিয়ে সোমবার (৭ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ জামিন মঞ্জুর করেন। আদালতে আজ সোমবার জামিন আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট হাসান মাহমুদ খান।

জামিনপ্রাপ্তরা হলেন- ফরিদুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, মোতালেব হোসেন ও আবুদল গনি। এর আগে একই ঘটনায় করা মামলায় বুড়িমারী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খাদেম জাবেদ আলী ও মো. শরিফুল ইসলাম হাইকোর্ট থেকে জামিন পান।

গত বছর ২৯ অক্টোবর বুড়িমারীতে কোরআন অবমাননার অভিযোগে সন্দেহবশত শহিদুন্নবী জুয়েলকে পিটিয়ে হত্যার পর তার মরদেহ পুড়িয়ে ফেলা, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় পৃথক তিনটি মামলা হয়। এর মধ্যে স্থানীয় চেয়ারম্যান বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। এ মামলার আসামি ফরিদুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, মোতালেব হোসেন ও আবুদল গনি। তাদেরকে ওই বছরের নভেম্বরের বিভিন্ন তারিখে গ্রেফতার করা হয়।

শহিদুন্নবী জুয়েল রংপুর শহরের শালবন মিস্ত্রিপাড়া এলাকার আব্দুল ওয়াজেদ মিয়ার ছেলে। তিনি রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক গ্রন্থাগারিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র। গত বছর চাকরিচ্যুত হওয়ায় মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। জুয়েল গত বছর ২৯ অক্টোবর সুলতান রুবায়াত সুমন নামে এক সঙ্গীসহ বুড়িমারী বেড়াতে যান। ওই দিন বিকেলে বুড়িমারী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আসরের নামাজ আদায় করেন তারা। কিন্তু ওই মসজিদে কোরআন অবমাননার অভিযোগে সন্দেহবশত জুয়েল ও সুমনকে পাশ্ববর্তী ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের একটি কক্ষে আটকে রাখে স্থানীয় জনতা।

খবর পেয়ে পাটগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও, ওসি বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত হন। কোরআন অবমাননার দায়ে দুই যুবককে আটক করার গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় উত্তেজিত হয়ে বিক্ষুব্ধ জনতা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের দরজা জানালা ভেঙে প্রশাসনের কাছ থেকে জুয়েলকে ছিনিয়ে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। পরে মরদেহ টেনে পাটগ্রাম বুড়িমারী মহাসড়কে নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে ছাই করে দেয়।

এ ঘটনায় জাতীয় মানবধিকার কমিশনের তদন্ত দল গতবছর ১ নভেম্বর ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে জানায়, মসজিদে কোরআন অবমাননার কোনো ঘটনা ঘটেনি। এছাড়া জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটিও কোরআন অবমাননার সত্যতা পায়নি।

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রংপুর সংবাদ.কম
Theme Customization By NewsSun