1. rkarimlalmonirhat@gmail.com : Rezaul Karim Manik : Rezaul Karim Manik
  2. kibriyalalmonirhat84@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  3. mukulrangpur16@gmail.com : Saiful Islam Mukul : Saiful Islam Mukul
  4. maniklalrangpur@gmail.com : রংপুর সংবাদ : রংপুর সংবাদ
রিমান্ডে পুলিশকে যেসব ‘তথ্য’ দিয়েছেন মামুনুল | রংপুর সংবাদ
সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন

রিমান্ডে পুলিশকে যেসব ‘তথ্য’ দিয়েছেন মামুনুল

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : রবিবার, ৬ জুন, ২০২১
  • ১২

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা বিভাগের মহাসচিব মামুনুল হক পুলিশকে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ দিয়েছেন।

১৮ দিন রিমান্ডে থাকা মামুনুল হক রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যাওয়ার উচ্চাভিলাষ থেকে নাশকতা চালান বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. জায়েদুল আলম।

পুলিশ সুপার বলেন, ‘এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য দেশ-বিদেশ থেকে টাকা আসত বলে আমরা তথ্য পেয়েছি। বিভিন্ন দেশি ও আন্তর্জাতিক জঙ্গী সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকার প্রাথমিক তথ্য আমরা পেয়েছি। তার কর্মকাণ্ডগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পর এসব বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে বলা যাবে’।

রোববার (৬ জুন) নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে মামুনুল হকের রিমান্ড ইস্যুতে আয়েজিত সংবাদ সম্মেলনে এসপি মো. জায়েদুল আলম এসব বলেন।

তিনি বলেন, ‘২৮ মার্চ দেশব্যাপী কথিত হরতালের নামে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত নাশকতার ঘটনা ঘটে। এর আগে ২৫ মার্চ মামুনুল হক নারায়ণগঞ্জে আসেন। তার উসস্কানিমূলক বক্তব্য নাশকতায় সাহস দিয়েছে বলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন। ৩ এপ্রিল সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্টে ঝর্ণা নামে একজন নারীসহ স্থানীয়দের হাতে আটক হওয়ার ঘটনায় মামুনুল হকের উপস্থিতিতে ব্যাপক তাণ্ডব চালানো হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করলে সেখান থেকে সে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে ওই নারী সোনারগাঁ থানায় এসে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এসব ঘটনায় দায়ের ছয় মামলায় তিন দিন করে মোট ১৮ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন। প্রথম তিন মামলায় জেলা পুলিশ, পরবর্তীতে সিআইডি ও পিবিআই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শনিবার তাকে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে আমরা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছি। যেহেতু তদন্তাধীন বিষয়, আমরা তার দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে দ্রুত আদালতে অভিযোগপত্র দিতে পারব বলে আশা করছি’।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম বলেন, ‘আমরা জেনেছি, তার ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় বাড়ি ও সম্পত্তি রয়েছে। একাধিক মাদ্রাসা রয়েছে। এসব মাদ্রাসার কোনো আয়-ব্যয়ের হিসাবের কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। ধর্ষণ মামলায় জিজ্ঞাসাবাদে বিয়ের কোনো বৈধ কাগজপত্র বা তথ্য-প্রমাণ দিতে পারেননি। শরিয়ত মোতাবেক বা দেশের আইনি কাঠামো অনুসারে বিয়ের কোনো তথ্য-প্রমাণ দিতে পারেননি’।

তিনি বলেন, ‘দেশি এবং বিদেশি বিভিন্ন জায়গা থেকে তিনি পর্যাপ্ত অর্থ উপার্জন বা আত্মসাৎ করেছেন বলে আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে। রিমান্ডে মামুনুল অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তিন তদন্তকারী সংস্থাকে নিয়ে এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে’।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মনিরুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান, জাহেদ পারভেজ চৌধুরীসহ জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা।

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রংপুর সংবাদ.কম
Theme Customization By NewsSun