1. rkarimlalmonirhat@gmail.com : Rezaul Karim Manik : Rezaul Karim Manik
  2. maniklalrangpur@gmail.com : রংপুর সংবাদ : রংপুর সংবাদ
যুদ্ধাপরাধীদের চলমান বিচার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও প্রশংসা অর্জন করেছে’ - রংপুর সংবাদ
রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন

যুদ্ধাপরাধীদের চলমান বিচার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও প্রশংসা অর্জন করেছে’

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৮ মে, ২০২৪
  • ৩৭ জন নিউজটি পড়েছেন

 

 

নিউজ ডেস্ক:
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের চলমান বিচার আজ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও প্রশংসা অর্জন করেছে।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর বঙ্গবন্ধু সরকার একাত্তরের গণহত্যাকারী, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধী ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেছিলেন। কিন্তু পঁচাত্তরের পর অবৈধ সামরিক সরকার এ বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতক দালালদের দলগুলোকে রাজনীতিতে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছিল। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করে এবং শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায়ও কার্যকর করে। বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের চলমান বিচার আজ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও প্রশংসা অর্জন করেছে।

শনিবার (১৮ মে) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ধর্মনিরপেক্ষ মানবিক সমাজ গড়ে তুলুন- এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ৮ম জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সক্রিয় উপদেষ্টা ছিলাম। আমার বুকের মধ্যে লালিত স্বাধীনতার চেতনা থেকে কখনো বিচ্যুত হতে পারব না ।

তিনি আরও বলেন, নির্মূল কমিটির ৮ম জাতীয় সম্মেলনে আমি অনেক প্রতিভাবান তরুণ মুখ দেখতে পাচ্ছি। তরুণদের প্রতি আমি আহ্বান জানাব, আপনারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পড়ুন, বঙ্গবন্ধুর জীবনী ও আদর্শ সম্পর্কে জানুন। আপনাদের মননে, বোধে, জীবনাচরণে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে লালন করুন। ডিজিটাল মাধ্যমকে আপনারা ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করুন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বঙ্গবন্ধুর দর্শন, ধর্মনিরপেক্ষতা ও অসাম্প্রদায়িকতার বোধকে আপনারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিন। বিশ্বের কাছে তুলে ধরুন বাঙালির গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসকে।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক, সহনশীল ও মানবিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আগামী দিনগুলোতেও ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’র অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিক বলেন, মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী সরকারের সহযোগিতা প্রদানের জন্য সংস্থাটি কাজ করছে। একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি যে দাবি তুলেছিল, আমাদের রাষ্ট্রপতি তার নেতৃত্বে কমিশন গঠন করেছিলেন। নির্মূল কমিটি সে তদন্তে সহযোগিতা করেছিল।

অনুষ্ঠানের শুরুতে রাষ্ট্রপতিকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন শহীদ সন্তান শমী কায়সার ও আসিফ মুনীর। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন শহীদ সন্তান অধ্যাপক ডা. নুজহাত চৌধুরী।

 

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

Leave a Reply

এই ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

© ২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রংপুর সংবাদ.কম
Theme Customization By NewsSun