1. rkarimlalmonirhat@gmail.com : Rezaul Karim Manik : Rezaul Karim Manik
  2. kibriyalalmonirhat84@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  3. mukulrangpur16@gmail.com : Saiful Islam Mukul : Saiful Islam Mukul
  4. maniklalrangpur@gmail.com : রংপুর সংবাদ : রংপুর সংবাদ
সামান্য বৃষ্টিতেই গাইবান্ধার সড়কে জমছে হাঁটু পানি! | রংপুর সংবাদ
বুধবার, ১৬ জুন ২০২১, ১১:১৪ অপরাহ্ন

সামান্য বৃষ্টিতেই গাইবান্ধার সড়কে জমছে হাঁটু পানি!

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : সোমবার, ৩১ মে, ২০২১

সামান্য বৃষ্টি হলেই গাইবান্ধা পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকার রাস্তায় সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতার । ড্রেনের নোংরা পানি উঠে আসে সড়কে । পরে এসব নোংরা পানি বিভিন্ন দোকানে প্রবেশ করে । পানি নামতে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগে। ফলে নোংরা কাঁদা পানি ঠেলেই চলাচল করতে হয় ব্যবসায়ী ও শহরের বাসিন্দাদের ।

পৌরসভার অধিকাংশ এলাকার ড্রেনগুলো দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার না করায় অকার্যকর রয়েছে ড্রেনের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা। ফলে বৃষ্টি হলেই বিভিন্ন সড়কে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। শুধু তাই নয়, ড্রেনগুলোর দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা-আবর্জনা মিশ্রিত পানি সড়কের ওপর উপচে পড়ছে। অনেক জায়গায় আবার এসব ময়লা দুর্গন্ধযুক্ত পানি বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও প্রবেশ করে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৩১ মে সকালে মাত্র দেড় ঘণ্টার বৃষ্টিতে গাইবান্ধা পৌর শহরের কাচারিবাজার চুরিপট্টি এলাকার স্টেশন রোডে জলাবদ্ধতা তৈরি হয় এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও পানি প্রবেশ করে। এতে যান চলাচল ব্যাহত হবার পাশাপাশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের ।

অপরিকল্পিত ও ডাকনাহীন ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাল ভরাট, অবৈধ দখল ও ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিষ্কার না করার কারণে এসব এলাকায় ড্রেনের পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে। আর তাই নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কারের পাশাপাশি পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নতরকণের দাবি ভুক্তভোগীদের।

খেলনা ব্যবসায়ী মোঃ নুরুল আলম জানান , নিয়মিত ড্রেনগুলো পরিস্কার করা হয়নি। ড্রেনগুলো পরিষ্কার না করায় তা ভরাট হয়ে পানি নিষ্কাশনের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় সামান্য বৃষ্টিতে দোকান, সড়ক ও অলিগলি পানিতে থইথই হয়ে যায়। এতে আমাদের পচা, দুর্গন্ধযুক্ত, ময়লা-আবর্জনা মেশানো পানি মাড়িয়ে চলাফেরা করতে হয়।

মোস্তফা নামে ভুক্তভোগী আরেক ব্যবসায়ী বলেন, বৃষ্টি হলেই আমাদের দোকানের সামনের সড়কে পানি উঠে যায়। ড্রেনের এসব নোংরা পানি ড্রেন দিয়ে না যেতে পারায় দোকানেও প্রবেশ করে। নর্দমা দিয়ে বৃষ্টির পানি ঠিকমতো নামতে পারে না। এতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। পানি নামতে দুই-তিন ঘণ্টা বা আরো বেশি সময় লাগে।তাই দ্রুত পানি নিষ্কাশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নতরকণের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ লাঘবে পৌর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রংপুর সংবাদ.কম
Theme Customization By NewsSun