অভিশপ্ত এক বছর | রংপুর সংবাদ
  1. rkarimlalmonirhat@gmail.com : রংপুর সংবাদ : রংপুর সংবাদ
  2. kibriyalalmonirhat84@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  3. maniklalrangpur@gmail.com : রংপুর সংবাদ : Manik Ranpur
  4. mukulrangpur16@gmail.com : Saiful Islam Mukul : Saiful Islam Mukul
অভিশপ্ত এক বছর | রংপুর সংবাদ
শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন



অভিশপ্ত এক বছর

রংপুর সংবাদ
  • প্রকাশকালঃ বুধবার, ২৪ মার্চ, ২০২১
  • ৩৭

ভারতীয় সংগীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তীর কবিতা-
করোনা নামের মহামারি তুমি যাও, তুমি যাও
একটা বিনীত তোমার ভয়টাকে রেখে যাও
ওগো ভয় তোমারই হোক জয়
তুমি নির্ভীক তরবারি তুমি নির্মেদ অক্ষয়
তোমারই হোক জয়।

অভিশপ্ত এক বছর। যে বছর পৃথিবীর গায়ে শোকের কালো চাদর জড়িয়ে গেছে। সৌজন্যে করোনা। এরকম একটা বছরকে কে মনে রাখতে চাইবেন। সবাই ভুলে থাকতে চাইবেন কালো বছরটাকে। কিন্তু চাইলেই কি পারবেন? পারছেন। করোনা ভ্যাকসিন আসার পরও। পৃথিবীতে করোনার বর্ষপূর্তি হয়ে গেছে গেল ডিসেম্বরে। আর বাংলাদেশে করোনা প্রথম শনাক্ত হয় ২০২০-এর ৮ মার্চে। মাঝখানের এই সময়টা কেমন কেটেছে আমাদের? শঙ্কা-উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায়। আর প্রতিদিন মৃত্যুর খবরে ঘুম ভেঙেছে আমাদের। নৈঃশব্দ্যের মাঝেও শুনেছি কত নক্ষত্র পতনের শব্দ। শিক্ষা-সাহিত্য-শিল্প-সংস্কৃতি-ব্যবসা-বাণিজ্য জগতের কত বড় বড় নাম হারিয়ে গেছে আমাদের মাঝ থেকে। অসুস্থ পৃথিবী ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে। নতুন এক স্বাভাবিক জীবনের মধ্য দিয়ে আমরাও এগিয়ে যেতে চাইছি। ‘নিউ নরমাল লাইফ’ আমাদের অনেক কিছু শেখাচ্ছে। কিন্তু আমরা কি ভুলে থাকতে পারছি গেল একটা বছরকে? কোনোদিন কি ভুলতে পারব?

জীবনযুদ্ধে অনেক সুপার অ্যাচিভার হার মেনেছেন করোনার কাছে। জীবনে সাফল্যের জয়মন্ত্র তাদের জানা ছিল। কিন্তু অদৃশ্য এক ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে বাঁচার মন্ত্র পৃথিবীর কারোই জানা ছিল না। মানব সভ্যতার ইতিহাসে এতটা অসহায় কি আর কখনো দেখা গেছে পৃথিবীকে? করোনা থেকে গোটা পৃথিবীর মানুষ একসঙ্গে মুক্তির পথ খুঁজেছে।

মহামারি করোনার প্রতিরোধ ও প্রতিকারে যখন পুরো বিশ্ব চিন্তিত ও পেরেশান। তখনও ইসলামে রয়েছে এ মহামারির প্রতিরোধ-প্রতিকার তথা সর্বোত্তম চিকিৎসা।

মহান আল্লাহ তাআলা রোগের প্রতিষেধক সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে ঘোষণা করেন-
আপনার পালনকর্তা মৌমাছিকে আদেশ দিলেন পাহাড়, গাছ ও উঁচু চালে আবাসস্থল তৈরি কর, তারপর সব ধরনের ফল থেকে খাও আর আপন পালনকর্তার উম্মুক্ত পথসমূহে চলাচল কর। তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য নিদর্শন রয়েছে। (সুরা নাহল : আয়াত ৬৮-৬৯)

রাসুলে আরাবি মানবজাতিকে সতর্ক করেছেন অন্যায়, জুলুম ও অশ্লীলতার কারণে আল্লাহ তাআলা জালেম ও অন্যায়কারীদের ওপর অপরিচিত মহামারি চাপিয়ে দেন। হাদিসে এসেছে-
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘যখন কোনো জাতির মধ্যে প্রকাশ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ে তখন সেখানে মহামারি আকারে প্লেগ রোগের প্রাদুর্ভাব হয়। তা ছাড়া এমন সব ব্যাধির উদ্ভব হয়, যা পূর্বেকার লোকদের মধ্যে কখনো দেখা যায়নি।’ (ইবনে মাজাহ)

উন্নত, উন্নয়নশীল, স্বল্পোন্নত, গরিব সব দেশের অসহায়ত্ব ফুটে বেরিয়ে পড়ে করোনাকালে। তবে ব্যর্থতার বোঝা বেশি দিন মানুষ টানতে চায়নি। মৃত্যুর মিছিল প্রতিদিন যেখানে লম্বা হয়েছে, সেটা দেখতে দেখতে আবার চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা খুঁজছে করোনা থেকে মুক্তির উপায়। খুঁজে পেয়েছে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করার ভ্যাকসিনের ফরমুলা।

বিশ্বের প্রথম পনেরোটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশও জায়গা করে নিয়েছে, যারা তাদের মোট জনসংখ্যার শতকরা প্রায় দুই ভাগ মানুষকে করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দিতে পেরেছে।

এখন নানা দেশে তৈরি হচ্ছে কোটি কোটি ডোজ করোনা ভ্যাকসিন। উন্নয়নশীল দেশের সিঁড়িতে পা রাখা বাংলাদেশ অনেক বেশি ঝুঁকি নিয়ে হলেও অগ্রিম টাকা দিয়ে রেখেছিল ভ্যাকসিনের জন্য। অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পেতে শুরু করেছে বাংলাদেশ।

বিশ্বের প্রথম পনেরোটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশও যারা তাদের মোট জনসংখ্যার শতকরা প্রায় দুই ভাগ মানুষকে করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দিতে পেরেছে। বাংলাদেশ উদযাপন করতে যাচ্ছে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। চলছে মুজিব শতবর্ষ। এর মধ্যে চরম অস্বস্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনা ভাইরাস।

বাংলাদেশ তার স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে দাঁড়িয়ে বলতে পারছে, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমরা পিছিয়ে নেই। আসলে লড়াইয়ে জেতে তারা, যাদের ভেতরের বিষয়টা পরিষ্কার। বিশ্বাসটা মজবুত। করোনার বিরুদ্ধে জিততে হলে ঝুঁকি নিতে হবে, বাংলাদেশ সরকার সেটা বুঝতে পেরেছিল। তাই ভ্যাকসিনের জন্য অগ্রিম টাকা দিয়ে রাখা হয়েছিল।

করোনা বড় একটা ঝাঁকুনি দিয়ে বুঝিয়ে যাচ্ছে, পৃথিবীতে আসলে আমরা কেউ ভালো নেই। অর্থ-কড়ি-ক্ষমতা-বিত্ত-বৈভব দিয়ে ভালো থাকার অভিনয় করি মাত্র। অভিনয় করতে করতে কখনো কখনো ভালো-মন্দের পার্থক্যটা বুঝতে পারি না। করোনা আসলে সবাইকে এক সমান্তরালে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়ে গেছে, যেখানে কেউ ভালো নেই। করোনা এদেশের মানুষের জীবন-দর্শন কতটা পাল্টে দিতে পেরেছে বা পারল জানি না। লড়াই করে জিতে আসা অনেক বড় বড় তারকার মুখে একটা কথা প্রায়ই শুনেছি, ‘যে দুঃখ তুমি পেয়েছ, কষ্ট পেয়েছ লড়াই জিতে, সেটা বাকি পৃথিবীর মানুষকে বলতে যেও না।’ ব্যাখ্যাটাও সহজ। লোকে অন্যের দুঃখ দেখে আনন্দ পায়। কিন্তু করোনাকালে সত্যিই কি আমরা অন্যের দুঃখ-কষ্ট-ব্যথা-বেদনা দেখে অদৃশ্য কোনো আনন্দ পেয়েছি? খুব জোর দিয়ে বিশ্বাস করতে চাই, না তেমন কিছু হয়নি পৃথিবীতে।

করোনাকালে অন্যের দুর্দশা দেখে কে কী বলবেন। সবাই তো দুর্দশাগ্রস্ত। করোনায় ক্লান্ত পৃথিবী। তবে হ্যাঁ, করোনাও একদিন ফুরিয়ে যাবে। পৃথিবীর ক্লান্তিও শেষ হবে। নতুন এক পৃথিবীর মুখোমুখি হব আমরা। সেখানেও হয়তো অনেকে বলবেন, করোনা না হলে অনেক কিছু হতো আমাদের। হয়তো হতো। কিন্তু হয়নি বলে সেই আক্ষেপ নিয়ে বাকি জীবনটা কাটিয়ে দেওয়ারও কোনো মানে হয় না। নতুন প্রাণশক্তি নিয়েই তো আবার চলতে হবে। মনে রাখতে হবে, করোনা আমাদের অনেক কিছু কেড়ে নিয়েছে। অনেক স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছে। কিন্তু এই পৃথিবীতে আমাদের ঘুম ভাঙুক স্বপ্ন নিয়ে। কিন্তু স্বপ্নগুলো যেন আর ভেঙে না যায়। আমাদের স্বপ্নের ওপর করোনা হুল ফুটিয়েছে। কিন্তু আমরা স্বপ্নকে ছেড়ে যাব কেন?

করোনাভাইরাস আবারও বাড়ছে। টিকা গ্রহণ করার পরেও অনেকে আবার করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা টিকা গ্রহণ করার পরেও দেশবাসীকে মাস্ক ব্যবহার করতে বলেছেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বলেছেন।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার টিকা নেওয়ার পরও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে। এ জন্য মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। কিন্তু টিকা নেওয়া থেকে বিরত থাকা যাবে না।

করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণ এবং মৃত্যুঝুঁকি থেকে সুরক্ষার জন্য টিকার কোনো বিকল্প নেই। জনগণকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য দেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। টিকা গ্রহণের পরও কিছু ব্যক্তির করোনা আক্রান্তের খবরে টিকার কার্যকারিতা নিয়ে অনেকের মনে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।

প্রশ্ন হলো, টিকার কারণেই কি তারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন অথবা করোনা সংক্রমণে কি টিকা কাজ করছে না?

উত্তর হচ্ছে করোনার টিকা গ্রহণের পরপরই সংক্রমণ প্রতিরোধ বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (ইমিউনিটি) সৃষ্টি হয় না, টিকা আমাদের শরীরে ইমিউনিটি তৈরি করতে কয়েক সপ্তাহে পর্যন্ত সময় নেয়। যুক্তরাজ্যের রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (সিডিসি) মতে, মানবদেহে করোনা টিকার ইমিউনিটি তৈরি হতে সাধারণত কয়েক সপ্তাহ লাগবে।

টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার অন্তত ১২ দিন আগে কখনো করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ করার মতো ইমিউনিটি সৃষ্টি হয় না। করোনার টিকা ইমিউনোসাপ্রেসড (হ্রাসপ্রাপ্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা) ব্যক্তিদের অনেক দেরিতে সুরক্ষা দিতে পারে বা ততটা সুরক্ষা নাও দিতে পারে। মডার্না ও ফাইজার টিকার পূর্ণ কার্যকারিতা শুরু হয় যথাক্রমে দ্বিতীয় ডোজের ১৮ দিন ও ৭ দিন পর এবং অক্সফোর্ড টিকাটি এর প্রথম ডোজ নেওয়ার ২১ দিন পর থেকে ৯০ দিন পর্যন্ত ৭৬ শতাংশ সুরক্ষা দিতে পারে।

সুতরাং এর অর্থ হচ্ছে, যে কোনো ব্যক্তি টিকা নেওয়ার ঠিক আগে অথবা ঠিক পরেও (শরীরে ইমিউনিটি বিকাশের জন্য যে সময়ের প্রয়োজন তার আগে) কোভিড-১৯ দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকলে তিনি অসুস্থ হতে পারেন। এ ছাড়া মনে রাখতে হবে, কোনো টিকাই করোনা সংক্রমণ থেকে শতভাগ সুরক্ষা দিতে পারে না, তাই টিকার দুটি ডোজ নেওয়ার পরও কিছু মানুষের করোনায় আক্রান্ত হওয়া স্বাভাবিক।

সিডিসির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, প্রায় ৪০ শতাংশ করোনাভাইরাস সংক্রমণে রোগের লক্ষণগুলো দেখা দেয় না এবং টিকা শুধু লক্ষণযুক্ত সংক্রমণ প্রতিরোধ করে কি না, তা-ই ট্রায়ালে দেখা হয়েছিল। এমনকি করোনার টিকা প্রস্তুতকারীরা টিকার শটগুলো রোগের লক্ষণযুক্ত ও লক্ষণবিহীন উভয় ধরনের সংক্রমণের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয় কি না, তা নিশ্চিত করতে এখনো ট্রায়াল (মূল্যায়ন) চালিয়ে যাচ্ছে। কাজেই, করোনার টিকা নেওয়ার পরই যে কেউ শতভাগ সুরক্ষিত তা ভাবার কারণ নেই।

করোনার টিকা থেকে কেউ সংক্রমিত হতে পারে না। কারণ, করোনার কোনো টিকাই জীবন্ত ভাইরাস বহন করে না তথা করোনার টিকা কাউকেই কোভিড-১৯ দ্বারা অসুস্থ করতে পারে না। তবে করোনাভাইরাস বারবার রূপ বা ধরন পরিবর্তন করে পরিবর্তিত হতে পারে বলে টিকা কম কার্যকর বা আদৌ কার্যকর না হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে ইনফ্লুয়েঞ্জা টিকার মতো প্রতিবছর নতুন করে করোনার টিকা আপডেটেড করার প্রয়োজন হতে পারে।

টিকা নেওয়া বা সুরক্ষিত হওয়ার পরও যে কেউ করোনাভাইরাসের লক্ষণবিহীন বাহক হতে পারেন এবং তাদের নাকের প্যাসেজ পথে ভাইরাস বহন করে তা কথা বলা, শ্বাস ফেলা, হাঁচি দেওয়াসহ বিভিন্ন কার্যকলাপের মাধ্যমে অন্যের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াতে পারেন। এ জন্য শুধু টিকা গ্রহণের কারণে নিজেকে সুরক্ষিত মনে করে কেউ যেন মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা থেকে বিরত না থাকেন।।

করোনার টিকা নেওয়ার পরও নিজেকে করোনা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখা ও অন্যকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে হবে।

করোনার একটা বছর আমরা খুব বাজেভাবে পার করেছি, সন্দেহ নেই। কিন্তু সেই খারাপ স্মৃতিগুলো ভুলে থাকার চ্যালেঞ্জটা নিতে হবে আগামীতে। তার একটা উপায় হতে পারে, ভালো স্মৃতিগুলো বারবার সামনে নিয়ে আসা। আর খারাপ স্মৃতিগুলোকে মন থেকে মুছে ফেলা। তবে হ্যাঁ, করোনা এখনো হার মানেনি পুরোপুরি। তাই আমাদের লড়াইটাও চলমান। করোনার আঘাতে ‘ধুলো ওড়া এই উইকেটে’ দাঁত কামড়ে পড়ে থাকতে হবে। তাহলে হয়তো নিজের নামের পাশে বড় একটা স্কোর দেখা যাবে। লড়াই মানুষকে অপেক্ষা করতে শেখায়। আর অপেক্ষা শেখায় লড়াইয়ে জিততে। আমরা করোনা জয়ের অপেক্ষায়ই থাকলাম।

মহান আল্লাহ আমাদের সকলকে হেফাজত করুন। আমীন।



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ





© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রংপুর সংবাদ