1. rkarimlalmonirhat@gmail.com : Rezaul Karim Manik : Rezaul Karim Manik
  2. kibriyalalmonirhat84@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  3. mukulrangpur16@gmail.com : Saiful Islam Mukul : Saiful Islam Mukul
  4. maniklalrangpur@gmail.com : রংপুর সংবাদ : রংপুর সংবাদ
‘অল্পের জন্য বেঁচে গেছি বাবা! হামার এই ঘরের দরকার নাই! | রংপুর সংবাদ
শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০৭:২১ অপরাহ্ন

‘অল্পের জন্য বেঁচে গেছি বাবা! হামার এই ঘরের দরকার নাই!

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : রবিবার, ৩০ মে, ২০২১

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে হস্তান্তরের তিন মাসের মাথায় সামান্য বাতাসেই উড়ে গেছে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্পের দুটি ঘরের চাল। এসব ঘর নির্মাণে সিমেন্টের পরিমাণ কম দেয়া এবং কাজের মান খারাপ হওয়ায় এমন ঘটনা ঘটেছে বলে সুবিধাভোগীদের অভিযোগ।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য গৃহনির্মাণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলায় দুই দফায় মোট ৪২০টি ঘরের বরাদ্দ আসে। প্রথম পর্যায়ে প্রতিটি ঘরের ব্যয় ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা হারে ১২০টি ঘরের জন্য ২ কোটি ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা ও দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রতিটি ঘরের ব্যয় ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা হারে ৩০০টি ঘরের জন্য ৫ কোটি ৭০ লাখ টাকাসহ মোট ৭ কোটি ৭৫ লাখ ২০ হাজার টাকার বরাদ্দ দেয়া হয়। ঘরগুলোর নির্মাণকাজ শুরু করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দফতর।

প্রথম কিস্তির ১২০টি ঘর গত ২৩ জানুয়ারি সুবিধাভোগীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দ্বিতীয় দফায় বরাদ্দ পাওয়া ঘরগুলোর কাজ চলমান থাকলেও প্রথম দফায় নির্মিত ঘরের মধ্যে দুইটি ঘরের চাল গত ২৪ মে সন্ধ্যায় সামান্য বাতাসেই উড়ে যায়।

উপজেলার খরখরিয়া তেলিপাড়া এলাকার মৃত মতিয়ার রহমানের স্ত্রী সবেদা বেওয়া ও তার ছেলে সফিকুল ইসলামের দুটি ঘরের বারান্দার খুঁটি ভেঙে চাল উড়ে গেছে।

সবেদা বেওয়া বলেন, ‘অল্পের জন্য বেঁচে গেছি বাবা! হামার এই ঘরের দরকার নাই! নিয়ে যাও তোমার ঘর!’

সফিকুল ইসলামের স্ত্রী লতিফা বেগম, মল্লিকা বেগম ও আব্দুল মতিনসহ ভুক্তভোগীরা বলেন, ‘ঘরের নিচে পড়ে যদি মরতে হয়, তাহলে আমাদের এই ঘরের দরকার নেই! জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এসব ঘরে থাকা যাবে না।’

সুবিধাভোগীদের অভিযোগ, ঘরগুলোর নির্মাণকাজে সিমেন্ট পরিমাণে কম দেয়া এবং নিম্নমানের কাঠসহ নানা অনিয়মের ফলে এমন ঘটনা ঘটছে। কাঠের মান খারাপ এবং মজুরি কম দেয়ায় ঘরের কাজে ত্রুটি হয়েছে বলে দাবি নির্মাণ শ্রমিকদের।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ কোহিনুর রহমান জানান, এক জায়গায় একটু সমস্যা হয়েছিল। লোক পাঠিয়ে তা ঠিক করে দেয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমি সদ্য যোগদান করেছি। আজই (২৪ মে) প্রথম অফিস করলাম। বিষয়টি আমার জানা নেই।’

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রংপুর সংবাদ.কম
Theme Customization By NewsSun