1. rkarimlalmonirhat@gmail.com : Rezaul Karim Manik : Rezaul Karim Manik
  2. maniklalrangpur@gmail.com : রংপুর সংবাদ : রংপুর সংবাদ
হাতীবান্ধায় সরকারী অফিসে বসে ভাইস চেয়ারম্যানের মাদক সেবনের সত্যতা পেয়েছেন তদন্ত কমিটি - রংপুর সংবাদ
সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ০৮:০৯ অপরাহ্ন

হাতীবান্ধায় সরকারী অফিসে বসে ভাইস চেয়ারম্যানের মাদক সেবনের সত্যতা পেয়েছেন তদন্ত কমিটি

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৩
  • ২৪৩ জন নিউজটি পড়েছেন

মাহির খান:
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় উপজেলা পরিষদের সরকারী অফিস কক্ষে বসে মাদক সেবনের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছেন তদন্ত কমিটি। এ ঘটনায় ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মিরুকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব মাহবুবা আইরিন। যে কোন সময় অপসারণ হতে পারেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মিরু বলে একটি সুত্র জানিয়েছেন।

গত ১৯ মার্চ স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে কেন আপনার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা একই আইনের ১৩(২) ধারা অনুযায়ী আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে ভাইস চেয়ারম্যানকে।

জানাগেছে, গত জানুয়ারী মাসের শেষ দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মিরু নিজের সরকারি অফিস কক্ষে মাদক মামলার আসামি ইউসুফের হাত থেকে ফেন্সিডিলের বোতল নিচ্ছেন। চারতলা ভবনের উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক ভবনের নিচ তলায় মিরুর অফিস। সেখানে বসে প্রতিনিয়ত তিনি মাদক সেবন করতেন বলে অভিযোগ উঠে। ওই ভবনে উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনওসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদেরও অফিস রয়েছে। এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর গোটা জেলা জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিকে ১ফেব্রুয়ারী মিরুকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলেও একই ধরনের সংবাদ প্রচারিত হয়।

অফিসে বসে মাদক গ্রহণের বিষয়ে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার নির্দেশে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন এক সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব পান লালমনিরহাট স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম।

তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পরদিনেই হাতীবান্ধায় এসে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন তিনি। ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মিরু, মাদক কারবারি ইউসুফসহ উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের সাথে একটি কক্ষে বসে পৃথক পৃথকভাবে কথা বলেন রফিকুল ইসলাম।

গত ১৫ ফেব্রুয়ারী রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ সাবিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি তদন্ত প্রতিবেদন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব বরাবরে প্রেরণ করা হয়।

প্রতিবেদনে আনোয়ার হোসেন মিরু তার অফিস কক্ষে মাদক গ্রহণ সংক্রান্ত সংবাদ মাধ্যমে খররের বিষয়ে লালমনিরহাট স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম তদন্ত করেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমানিত হয়েছে মর্মে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের দপ্তরে প্রেরণ করেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে তদন্তের বিষয়টি উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন ২০১১ এর ১৩ ধারার ১এর (গ) উপধারা মোতাবেক একটি অপসারণযোগ্য অপরাধ। এমতাবস্থায় পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সচিব বরাবরে এই চিঠি দেয়া হয়। তার ভিত্তিতে এই কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে বলে হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদের একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যন আনোয়ার হোসেন মিরু বলেন, আমি মাদক নেইনি। শারিরীক সমস্যার জন্য আমি হারবাল ঔষধ নিয়েছিলাম তার কাছে। এটাকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজির হোসেন বলেন, ভাইস চেয়ারম্যানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তার একটি অনুলিপি পেয়েছি।

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

Leave a Reply

এই ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

© ২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রংপুর সংবাদ.কম
Theme Customization By NewsSun