দেশ ও জাতির সুখের জন্য | রংপুর সংবাদ
  1. rkarimlalmonirhat@gmail.com : রংপুর সংবাদ : রংপুর সংবাদ
  2. kibriyalalmonirhat84@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  3. maniklalrangpur@gmail.com : রংপুর সংবাদ : Manik Ranpur
  4. mukulrangpur16@gmail.com : Saiful Islam Mukul : Saiful Islam Mukul
দেশ ও জাতির সুখের জন্য | রংপুর সংবাদ
শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৬:০১ পূর্বাহ্ন



দেশ ও জাতির সুখের জন্য

রংপুর সংবাদ
  • প্রকাশকালঃ বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ, ২০২১
  • ২৫
কবীর চৌধুরীর ভাষায়-
শেষ নেই তার সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখার
খনি খুঁজে ফেরে সদাই সুখের সবার
হারিয়ে যেতে দেবে না কভু স্বপ্নটি তাঁর
সিনথেটিক তো নয়, বাংলার মাটি জলে অতি মজবুত
নাই তার ক্ষয় বা বিনাশ, সে যে অনিন্দ্য নিখুঁত।
বাংলাদেশের চরিত্র ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিক-রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের একটি নিপুণ চিত্র অঙ্কন করেছেন কবীর চৌধুরী। নেত্রীর দেশপ্রেম, দেশের প্রতি অঙ্গীকার ও স্বপ্নের চিত্র এঁকেছেন কবি। বলতে চেয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো স্বপ্ন দেখেন। তিনি সর্বদা দেশ ও জাতির সুখের জন্য পরিশ্রম করে যান, কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে কাজ করেন।
কনরাড হিলটন বলেছেন, সফল মানুষরা কাজ করে যায়। তারা ভুল করে, ভুল শোধরায় কিন্তু কখনো হাল ছাড়ে না। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এরকম মানবিক ব্যক্তিত্ব। একজন মানুষ নিজম্ব চিন্তা-চেতনা, প্রজ্ঞাবান, দূরদর্শী পরিকল্পনার কারণে আজ তিনি সকলের প্রিয় আপনজন, নিকটাত্মীয়, পরম মমতাময়ী একজন। যিনি এখন দেশের সীমানা পেরিয়ে বহির্বিশ্বে খুবই মর্যাদাবান একজন মানুষ। বিশ্বমানচিত্রে বাংলাদেশ হয়ত ক্ষুদ্র একটি দেশ হিসেবে পরিগণিত কিন্তু বৃহৎ হৃদয়ের মানবতাবাদী মানুষ হিসেবে তিনি বিশ্বে একটি পরিচিত মুখ। একটা সময় ছিল যখন বাইরের দেশে বাংলাদেশ নামটা খুবই অবজ্ঞার সঙ্গে উচ্চারিত হত।
এখন বাংলাদেশ মানেই শত সংগ্রাম প্রতিকূলতা পায়ে দলে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় এগিয়ে যাওয়ার আরেক নাম। এরকম একজন দেশনেতার আবির্ভাব না হলে হয়ত আমরা এরকম সমৃদ্ধ বাংলাদেশ পেতাম কিনা সন্দেহ। যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান। বঙ্গবন্ধুর মুখ দিয়ে উচ্চারিত এক একটি শব্দ যেন পথের দিশারী ছিল। দেশের আপামর জনসাধারণ তন্ময় হয়ে শুনত বঙ্গবন্ধুর প্রতিটি কথা। যার কারণে বঙ্গবন্ধুর একটি আওয়াজে বাংলার ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে উঠেছিল।
প্রধানমন্ত্রী কীভাবে মহৎ হৃদয়ের অধিকারী? এককথায় যদি বলি যখন লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে এসেছিল, তখন কিন্তু একবারের জন্যও তিনি তাদের চলে যেতে বলেননি, আসতেও বাধা দেননি। বরং তাদের আবাসন থেকে শুরু করে সকল মৌলিক চাহিদা পূরণে সচেষ্ট হয়েছেন। চেষ্টা করেছেন, কীভাবে তাদের ভালো রাখা যায়। তাদের জন্য নোয়াখালীর ভাসানচরে আবাসন তৈরি করেছেন। কত বড় মহৎ হৃদয়ের অধিকারী হলে এরকম কাজ করতে পারেন। যেখানে অন্যান্য দেশ (যারা সব দিক দিয়ে সমৃদ্ধশালী) রোহিঙ্গাদের বিতাড়িত করতে সচেষ্ট, সীমানায় কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে দেশে ঢুকতে দিচ্ছে না, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে শেখ হাসিনা প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গার ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। এটা অনেক বড় দৃষ্টান্ত। নোয়াখালীর ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য খুবই সুন্দর আর মনোমুগ্ধকর বাড়ি বানিয়ে দিয়েছেন নিরাপদে থাকার জন্য। পাশাপাশি তাদের স্বনির্ভর করে তুলতে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হয়েও যা অনেকেই করতে পারে না, আমাদের প্রধানমন্ত্রী দেখিয়ে দিয়েছেন মানবতা আর মানবিকতা থাকলে স্বল্প কিছু দিয়েও অনেক কিছু করা সম্ভব। এরকম মানসিক জোর তার আছে বলেই সবদিক দিয়ে জয়ী হয়ে চলেছেন নিরন্তর। মুজিববর্ষ উপলক্ষে হিজড়া জনগোষ্ঠী যারা সমাজে নিতান্তই অবহেলার শিকার তাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ২০ জন হিজড়াকে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার ধোপাকান্দি গ্রামে নির্মাণ করা হয়েছে আশ্রয়ণ প্রকল্প। একইভাবে দিনাজপুর ও জামালপুরেও হিজড়াদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় প্রতিটি ইউনিয়নে ভূমিহীন দরিদ্র মানুষদের পুনর্বাসনের জন্য প্রায় ৭০ হাজার পরিবারকে পাকা ঘর করে দেওয়া হয়েছে। আরও এক লাখ পরিবারকে একইভাবে ঘর দিয়ে পুনর্বাসন করা হবে। তিনি ক্ষমতায় আসার পর বয়স্করা (যারা খুবই বৃদ্ধ, অসহায়) তারা বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন। বিধবারাও ভাতা পাচ্ছেন। তার উপর মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পাচ্ছেন। অনেক বয়স্ক লোক এবং বিধবা আছেন, যারা এই ভাতা পেয়ে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন। আনন্দে তাদের চোখে জল এসে যায়।
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার ভূমিকা অগ্রগণ্য। একারণেই প্রতিবছর জানুয়ারী মাসের ১ তারিখে বাংলাদেশের ষ্কুল শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে নতুন বইয়ের সেট। যে বই হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের পড়ার প্রতি আগ্রহ বেড়ে যায়। শিক্ষার্থীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকে বছরের প্রথম দিনটির জন্য। গ্রাম পর্যায়ে মেয়েদের শিক্ষার হার বাড়াতে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করা হয়। উপবৃত্তির টাকা যাতে যথাযথভাবে অভিভাবকের নিকট যথাসময়ে পৌঁছায় তার জন্য বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠানো হয়। পঞ্চম, অষ্টম, এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মেধা অনুসারে বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।
এই বৃত্তির টাকাও যাতে শিক্ষার্থীরা যথাসময়ে পায় সেজন্য সরকার ব্যাংকের মাধ্যমে বৃত্তির টাকা প্রদান করে থাকে। প্রধানমন্ত্রী যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বিশ্ব দরবারে পদ্মা সেতু নির্মাণ করে। শুধু দৃঢ় মনোবল আর দুরন্ত সাহস নিয়ে তিনি পদ্মা সেতুর কাজ আরম্ভ করেছিলেন নিজেদের অর্থায়নে। বিশ্ব ব্যাংক যখন মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছিল তখন একমাত্র জননেত্রীর অদম্য সাহসই বাস্তবায়ন করলো পদ্মা সেতু। এত এত কাজের মধ্যে কোনটা ছেড়ে কোনটা বলব বুঝতে পারছি না।
দেশের প্রতিটা সেক্টরে প্রধানমন্ত্রীর নজরদারি আছে। এই বছর মহামারী কোভিডের কারণে যখন মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছিল না, লকডাউনের কারণে মানুষের কাজকর্ম বন্ধ হয়ে নিম্নশ্রেণির মানুষরা যখন মানবেতর জীবন যাপন করছিল, যেরকম দুর্যোগের সৃষ্টি হয়েছিল সেই মহামারীর কবল থেকে দেশের মানুষকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ সহায়তা প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন এবং গ্রামাঞ্চলে যেভাবে ত্রাণ বিতরণ করেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। ঈদের পূর্বে বিকাশের মাধ্যমে নিম্ন মধ্যবিত্ত ও অসহায় মানুষদের ত্রাণ হিসেবে নগদ টাকা প্রদানের বিরল দৃষ্টান্তও সূচিত হয়েছে। অসম্ভব মেধাশক্তিসম্পন্ন মানুষের পক্ষেই সবদিকে নজর দিয়ে সুচারুরূপে কাজ করা সম্ভব হয়।
জাতির জনকের কন্যা এদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার নাগরিকদের কোভিড-১৯ ভাইরাসের মারাত্মক সংক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য দেশের সকল নাগরিককে বিনামূল্যে টিকা সরবরাহের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সফলতার পরিচয় দেখিয়েছে। খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পাশাপাশি টিকা ক্রয়ের ব্যবস্থা করে দেশের নাগরিকদের টিকা প্রদান প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
যেখানে এখন পর্যন্ত পৃথিবীর ১৩৫ টি দেশ তাদের নাগরিকদের জন্য টিকার ব্যবস্থা করতে সক্ষম হয়নি, সেখানে বাংলাদেশ সরকার টিকা প্রদান শুরু করে দিয়েছে। সুতরাং, বর্তমান সরকার এই ক্রান্তিকালে টিকা সংগ্রহের ক্ষেত্রে যোগ্যতা প্রদর্শন করায় প্রশংসার দাবিদার।
করোনা প্রতিরোধের লড়াইয়ে প্রথম থেকেই সম্মুখসারিতে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। সক্ষমতার সাথে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করে মহামারীতে মৃত্যু, শোক আর সঙ্কটের একটি বছর পেরিয়ে এসে টিকা দেওয়ার মধ্য দিয়ে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে বিজয়ের লড়াইয়ে নেমেছে বাংলাদেশ। বিশ্বের বড় বড় দেশ যখন এখনও করোনা টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু করতেই পারেনি, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে করোনা টিকা প্রদান কার্যক্রম চলছে।
কেবল টিকা প্রদানই নয়, দেশব্যাপী বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার সাথে সাথেই তিনি সোচ্চার হয়েছেন, এর বিরুদ্ধে জোর লড়াই চালিয়ে যাওয়ার।
কোভিড-১৯ মোকাবিলায় টিকাদান প্রক্রিয়ায় সফলভাবে অংশগ্রহণ করে, সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এই অবদান জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পূর্তিতে এবং জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে আপনাদের সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।
এই মহামারীর মধ্যে আবার আঘাত হানে আম্ফান। সেই আম্ফান মোকাবিলায়ও তিনি দূরদর্শিতার স্বাক্ষর রাখলেন। পূর্ব প্রস্তুতির কারণে অনেক ক্ষতি থেকে রেহাই পেল বাংলাদেশ। অবশ্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের হানা বাংলাদেশে সবসময়ই হয়ে থাকে। শুধু তিনি একজন রাজনৈতিক নেত্রী নন, তিনি একজন লেখক, সংস্কৃতিমনা মানুষও বটে। এ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে অনেক সঙ্গীত শিল্পী, অভিনয় শিল্পীর সাহায্যার্থে আর্থিক সহযোগিতা করেছেন।
১৯৭১ সালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নিক্সনের সময়ে তার বিদেশ সচিব চতুর হেনরি কিসিঞ্জার বাংলাদেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ আখ্যা দিয়ে বক্রোক্তি করেছিলেন। আজ বাংলাদেশ সমগ্র বিশ্বকে অবাক করে দিচ্ছে এই জন্যে যে, এই ঘন বসতিপূর্ণ ছোট্ট আয়তনের একটি দেশ বিশ্ব সংসারে একটি সম্ভ্রমপূর্ণ আলোচিত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। বাংলাদেশ আজ গৌরবের স্থানে অধিষ্ঠিত।
বাংলাদেশ দীর্ঘ সময় পথ পাড়ি দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের পঞ্চাশ বছর পরে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পদার্পণ করার তালিকায় সকল শর্ত পূর্ণ করে জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
বাংলাদেশ ২০২৬ সালে আনুষ্ঠনিকভাবে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পাবে। বাংলাদেশ এই স্বীকৃতি পেল যখন আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী পালন করছি এবং পালন করছি বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। এই অতিমারির সময়েও দেশবাসীর মনটা ভালো হয়ে গেল এই আকাঙ্ক্ষিত অর্জনে।
আমাদের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা যথার্থভাবেই এই অর্জনকে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে উৎসর্গ করেছেন। ২০৩১ সালে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন করবে এবং ২০৪১ সালে অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশ উন্নত দেশ হিসেবে বিশ্ব মানচিত্রে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ জিডিপি হিসেবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় তৃতীয় স্থান অধিকারের মর্যাদা পেয়েছে। উচ্চহারের জিডিপি অর্জনে বাংলাদেশ এশিয়ায় এবং বিশ্বের অনেক দেশকেই ইতোমধ্যে ছাড়িয়ে গেছে।
যে কোন উন্নয়ন কাজে তার অবদান অপরিসীম। কামনা করি, আমাদের প্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শেখ হাসিনা দীর্ঘদিন বেঁচে থাকুন এবং বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ড যতদিন এই পৃথিবীর বুকে থাকবে ততদিন মানবকল্যাণে তার অবদান স্বর্ণাক্ষরে অঙ্কিত থাকুক। আরও একটি কথা না বললেই নয়, পৃথিবীর মানচিত্রের বুকে বাংলাদেশ হয়ত ছোট্ট একটি স্থান দখল করেছে, কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর এক একটি বৃহৎ মানবিক কাজের জন্য বিশ্বমানচিত্রে বাংলাদেশ সবসময়ই উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো আলোকোজ্জ্বল হয়ে থাকবে।
আজ আমাদের আনন্দ এই জন্যে আমাদের অনেক কষ্টে অর্জিত বাংলাদেশ, আমাদের সকলের প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশ একদিন বিশ্ব মানচিত্রে উন্নত দেশের মর্যাদায় নিজ দেশের পতাকা উড্ডীন করে গৌরবান্বিত হবে। দেশ মাতৃকার পরাজয় নেই।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ





© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রংপুর সংবাদ