আবারও লাগামহীন পেঁয়াজের দাম: কারসাজি বন্ধ করা যাচ্ছে না কেন? | রংপুর সংবাদ
  1. rkarimlalmonirhat@gmail.com : রংপুর সংবাদ : রংপুর সংবাদ
  2. kibriyalalmonirhat84@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  3. maniklalrangpur@gmail.com : রংপুর সংবাদ : Manik Ranpur
  4. mukulrangpur16@gmail.com : Saiful Islam Mukul : Saiful Islam Mukul
আবারও লাগামহীন পেঁয়াজের দাম: কারসাজি বন্ধ করা যাচ্ছে না কেন? | রংপুর সংবাদ
বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ১১:২৪ অপরাহ্ন



আবারও লাগামহীন পেঁয়াজের দাম: কারসাজি বন্ধ করা যাচ্ছে না কেন?

রংপুর সংবাদ
  • প্রকাশকালঃ সোমবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২০

নিউজ ডেস্কঃ পেঁয়াজের ভরা মৌসুম তো বটেই; দেশের পাইকারি বাজারের গুদামগুলোও সয়লাব দেশি-বিদেশি পেঁয়াজে। তারপরও গত তিনদিনের ব্যবধানে এ পণ্যটির দাম বেড়েছে হু-হু করে। যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী গত বুধবার প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১১০ টাকায়। এরপর শনিবার এটি কেজিপ্রতি সর্বোচ্চ ২১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। দামবৃদ্ধির পেছনে এবার সামনে আনা হয়েছে বৈরী আবহাওয়াকে। কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। এ বৃষ্টিতে পেঁয়াজের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এমন ধুয়া তুলে ব্যবসায়ীরা দফায় দফায় এ নিত্যপণ্যটির দাম বাড়িয়ে চলেছেন। অথচ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের ভাষ্য হচ্ছে, মাঠপর্যায় থেকে যেসব তথ্য পাওয়া গেছে, তাতে পেঁয়াজ চাষের তেমন ক্ষতি হয়নি; বরং এই বৃষ্টি সেচের মতো কাজ করেছে এবং এর ফলে পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঠুনকো একটি অজুহাত দাঁড় করিয়ে ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ নিয়ে আরও এক দফা মুনাফা লোটায় লিপ্ত হয়েছেন, যা কেবল অযৌক্তিক নয়; একইসঙ্গে ন্যক্কারজনকও। উল্লেখ্য, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পেঁয়াজের দাম সর্বোচ্চ প্রতিকেজি ৩০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। পরে আমদানি বাড়ায় ও দেশি পেঁয়াজ বাজারে আসায় দাম কমে আসার এ পর্যায়ে পুনরায় পেঁয়াজের মূল্য নিয়ে ব্যবসায়ীরা কারসাজি শুরু করেছেন, যা মোটেই কাম্য নয়। দেশের ব্যবসায়ীরা ‘হঠাৎ বৃষ্টিকে’ পুঁজি করে পেঁয়াজের দাম যেভাবে বাড়িয়ে চলেছেন, তা অগ্রহণযোগ্য। অতীতেও দেখা গেছে, রমজান অথবা অন্য কোনো অজুহাত সামনে এনে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। পেঁয়াজের ক্ষেত্রেও এমনটাই ঘটেছে, তা বলাই বাহুল্য। ব্যবসায়ে মুনাফা অর্জন স্বতঃসিদ্ধ ও স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া। তবে মুনাফা অর্জনের নামে নীতিজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ড সমর্থনযোগ্য নয়।

পেঁয়াজসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির ঘটনায় সাধারণ মানুষের উদ্বিগ্ন হওয়াটাই স্বাভাবিক। বাজারে জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে ক্রয়ক্ষমতা না বাড়ায় দেশের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নিুআয়ের শ্রমজীবীরা অসহায়বোধ করেন। অথচ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে তেমন উচ্চবাচ্য হয় না বললেই চলে। বাজার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সরকারের শক্ত কোনো ভূমিকা নেই- এ অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সাধারণত দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে কথাবার্তা উঠলে পাইকারি ব্যবসায়ী ও খুচরা ব্যবসায়ীরা পরস্পরকে দোষারোপ করে থাকেন। এভাবে একপক্ষ অপরপক্ষকে দোষারোপ করলেও এটি মূলত ব্যবসায়ীদের একচেটিয়াভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণের প্রয়াস, এতে কোনো সন্দেহ নেই। নানা অপকৌশলে ভোক্তাদের ঠকানো ছাড়াও কারসাজি ও যোগসাজশের মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়া অনৈতিক তো বটেই; একইসঙ্গে অপরাধও। প্রতারণা ও লোকঠকানো মানসিকতা পরিহার করে পেঁয়াজসহ অন্যান্য নিত্যপণ্য ও সেবার দাম স্থিতিশীল রাখতে ব্যবসায়ী সমাজ আন্তরিকতার পরিচয় দেবেন, এটাই প্রত্যাশা।সুত্রঃযুগান্তর



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ





© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রংপুর সংবাদ