রংপুর সংবাদ » এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনা ৪৭০২, নিহত ৫২২৭

এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনা ৪৭০২, নিহত ৫২২৭


রংপুর সংবাদ জানুয়ারী ৪, ২০২০, ৩:১৬ অপরাহ্ন
এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনা ৪৭০২, নিহত ৫২২৭

অনলাইন ডেস্কঃ

২০১৯ সালে ৪ হাজার ৭০২টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন মোট ৫ হাজার ২২৭ জন। আর আহত হয়েছেন ৬৯৫৩ জন।

শনিবার (০৪ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে ২০১৯ সালের সড়ক দুর্ঘটনার এ পরিসংখ্যান তুলে ধরেন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন। এসময় সংগঠনটির মহাসচিব সৈয়দ এহসানুল হক কামাল উপস্থিত ছিলেন।

সড়ক দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান উপস্থাপন করে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, দেশে সড়ক দুর্ঘটনা বিগত ২ বছরের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯ সালে ৪৭০২ টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৫২২৭জন ও আহত হয়েছে ৬৯৫৩ জন। এর মধ্যে রেল পথে দুর্ঘটনা ১৬২টি নিহত ১৯৮ জন আহত ৩৪৭ জন।

নৌ পথে দুর্ঘটনা ৩০টি নিহত ৬৪ জন আহত ১৫৭ জন আর নিখোঁজ ১১০ জন। দুর্ঘটনার জন্য দায়ী যানবাহনগুলো হলো- বাস ৯৯২টি, ট্রাক ১০৩৩টি, মোটরসাইকেল ১০৯৮টি, কাভার্ড ভ্যান ১৬০টি, মাইক্রোবাস ১৫৮টি, নসিমন ৮৩ টি, কার ৭৯টি ও অন্যান্য (সিএনজি/ভ্যান/পিক-আপ) ২১৭৮ টি। এসব যানবাহনের মোট নিহত চালক হলো ১১৯০ জন। যা মোট নিহতের ২২ শতাংশ চালক। সড়ক দুর্ঘটনায় ২ হাজার জন পথচারী মারা গেছে।

যা মোট দুর্ঘটনার ৫০ দশমিক ০৪ শতাংশ।

তিনি বলেন, দেশে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ময়মনসিংহ জেলায়। সেখানে ২১১টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৪৮৮ জন,  আহত হয়েছে ২৬৬ জন। এরপর রয়েছে ঢাকা জেলায় ৩০৯টি দুর্ঘটনায় ৩৩৫ জন নিহত ও আহত ৩২৭ জন। এরপরই রয়েছে চট্টগ্রাম জেলায় সেখানে ২২৬ টি দুর্ঘটনায় নিহত ২৯৯ জন ও আহত হয়েছে ২৫৫ জন। আর সবচেয়ে কম নিহত হয়েছে ঝালকাঠি জেলায় সেখানে ১২টি দুর্ঘটনার বিপরীতে নিহত হয়েছে ৫ জন ও আহত হয়েছে ১২ জন। এরপর রয়েছে শরীয়তপুর জেলা সেখানে ৯টি দুর্ঘটনার বিপরীতে নিহত হয়েছে ৩৫ জন আহত হয়েছে ১০ জন।

বিআরটিএ কর্তৃক সরবরাহ করা রিপোর্টে দেখা যায়, বাংলাদেশে বাসের সংখ্যা ৪৯ হাজার ২৭২টি। এর মধ্যে ৯৯২ টি বাস দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। এক লাখ ৫১ হাজার ৭৮৪ টি ট্রাকের মধ্যে ১০৩৩ টি ট্রাক দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে। এক লাখ ৯৪ হাজার ৫৬ টি বাস ও ট্রাক মিলে এ বছর সড়ক দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে ২ হাজার ২৫টি। বাকি ৪০ লাখ যানবাহনে সড়কে দুর্ঘটনার পরিমাণ ২৬৭৭টি। এর দ্বারা এটা প্রতীয়মান হয় যে বাস ও ট্রাক সড়ক দুর্ঘটনার জন্য বেশি দায়ী। এজন্য তাদের প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ, দক্ষতাবৃদ্ধি ও সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ জরুরি।