1. rkarimlalmonirhat@gmail.com : Rezaul Karim Manik : Rezaul Karim Manik
  2. kibriyalalmonirhat84@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  3. mukulrangpur16@gmail.com : Saiful Islam Mukul : Saiful Islam Mukul
  4. maniklalrangpur@gmail.com : রংপুর সংবাদ : রংপুর সংবাদ
করোনায় দ্বিতীয় ঢেউয়ে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত তরুণরা | রংপুর সংবাদ
শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০৬:২৪ অপরাহ্ন

করোনায় দ্বিতীয় ঢেউয়ে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত তরুণরা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ মে, ২০২১

করোনাভাইরাস মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে গত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি ভারতে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মে মাসের শুরু থেকে সেই পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। এই অবস্থায় সামনে আসা সর্বশেষ পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে চমকে ওঠার মতো তথ্য। করোনায় দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্তদের এক-চতুর্থাংশের বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছর।
বুধবার (২৬ মে) প্রকাশিত ভারতের সরকারি সমীক্ষায় দেখা গেছে, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমিতদের একটা বড় অংশ ৪৪ বছরের কম বয়সী। চলতি মে মাসে আক্রান্তদের ২৬ শতাংশেরও বেশি মানুষের বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছর বলে জানানো হয়েছে ওই পরিসংখ্যানে।
ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মে মাসের ১ থেকে ৭ তারিখের মধ্যে আক্রান্তদের ২৬ দশমিক ৫৮ শতাংশের বয়স ছিল ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। ৮ থেকে ১৪ মে আক্রান্তদের মধ্যে ১৮ ধেকে ৩০ বছর বয়সীদের হার ২৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ। মে মাসের ১৫ থেকে ২১ তারিখের মধ্যে তা আরও কিছুটা কমে ২৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
একই ধারা দেখা গেছে ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রেও। মে মাসের প্রথম সপ্তাহে মোট আক্রান্তদের মধ্যে ২৩ দশমিক ১২ শতাংশ, দ্বিতীয় সপ্তাহে ২২ দশমিক ৭৯ শতাংশ এবং তৃতীয় সপ্তাহে ২২ দশমিক ৫৮ শতাংশ এই বয়সসীমাভুক্ত।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যারা ৬০ বছরের বেশি বয়সী, তারা মে মাসে মোট আক্রান্তের ১৩ শতাংশ অংশ দখল করে রয়েছেন।
প্রথমে বলা হয়েছিল যে, ষাট বছরের বেশি বয়সীরা করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হতে পারেন। তবে মে মাসের পরিসংখ্যানে সেই চিহ্ন পাওয়া যায়নি। করোনাভাইরাসের প্রথম ঢেউয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছিলেন প্রবীণরা। কিন্তু দ্বিতীয় ঢেউয়ে প্রবীণদের পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মও সমানভাবে সংক্রমিত হচ্ছে।
গত ১ মে থেকে ভারতে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বদের টিকা প্রয়োগের কাজ শুরু হয়েছে। তার আগে কেন মোদি সরকার এই নির্দিষ্ট বয়সের তরুণ-তরুণীদের টিকা দেওয়া শুরু করল না, প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা।
প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের ভারতীয় ধরন অত্যন্ত শক্তিশালী। ভাইরাসের এই অতিসংক্রামক ধরনের বিরুদ্ধে টিকা কতটা কার্যকরী তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। সম্প্রতি মেয়ো ক্লিনিকের ভ্য়াকসিন রিসার্চ গ্রুপের গবেষকরা দাবি করেছেন, কোভিড ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজের মাঝের সময়ের ব্যবধান বাড়লে ভাইরাসের বিরুদ্ধে তার লড়াইয়ের কার্যকারিতা ২০ শতাংশ থেকে ৩০০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।
নয়া গবেষণার এই তথ্য অনুযায়ী, প্রথম সেই পথে হাঁটা শুরু করেছে সিঙ্গাপুর। সেখানে ইতোমধ্যে করোনা ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজের মাঝের সময়ের ব্যবধান তিন-চার সপ্তাহ থেকে বাড়িয়ে ছয়-আট সপ্তাহ করা হয়েছে।

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রংপুর সংবাদ.কম
Theme Customization By NewsSun