1. rkarimlalmonirhat@gmail.com : Rezaul Karim Manik : Rezaul Karim Manik
  2. kibriyalalmonirhat84@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  3. mukulrangpur16@gmail.com : Saiful Islam Mukul : Saiful Islam Mukul
  4. maniklalrangpur@gmail.com : রংপুর সংবাদ : রংপুর সংবাদ
লালমনিরহাটে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ২ - রংপুর সংবাদ
সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন

লালমনিরহাটে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ২

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২

মাহির খানঃ
লালমনিরহাটে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে দুই ধর্ষককে গ্রেফতার ও বাড়িটি চিহ্নিত করেছে লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশ। দুই ধর্ষককে গ্রেফতার ও বাড়িটি চিহ্নিত করার বিষয়টি লালমনিরহাট সদর থানার ওসি এরশাদুল আলম নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন লালমনিরহাট সদর উপজেলার পৌরশহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের স্টেডিয়ামপাড়া (দালালটারী) এলাকার মকবুল হোসেনের ছেলে সামসুল হোসেন বাবলু (৪২) ও একই এলাকার আবুল হোসেন সরকারের ছেলে তসলিম উদ্দিন সরকার (৪০)।

 

ওই এসএসসি পরীক্ষার্থীহাতীবান্ধা উপজেলার শাহ গরীবুল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে আসন্ন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন তার মা।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ওই পরীক্ষার্থীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন প্রতিবেশি ভগ্নিপতি হাফিজুল ইসলাম। প্রেমের এক মাস যেতে না যেতেই তাকে কেনাকাটা করে দেওয়ার প্রলোভন
দেখিয়ে লালমনিরহাটে নিয়ে যান গত ১ সেপ্টেম্বর।

লালমনিরহাটে নিয়ে আসার পর তাকে নারী পাচারকারী চক্রের সদস্য বাবলু নামক এক ব্যক্তির হাতে তাকে তুলে দেন।

বাবলু শহরের স্টেডিয়ামপাড়ায় তার ভাই নুরুজ্জামানের
বাসায় নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে চেতনাশক ঔষধ খাইয়ে তাকে গাড়ীতে ঢাকায় পাঠান।

ধর্ষকদের গ্রেফতার অভিযানে অংশ নেওয়া লালমনিরহাট সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মোজাম্মেল হক বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুই আসামী মেয়েটি ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। তাকে ফরিদপুরের এক নারী পাচারকারী সদস্যের নিকট গাড়ীতে ঢাকায় পাঠানোর
কথাও স্বীকার করেছে। ওই ব্যক্তি তাকে ঢাকার গাবতলীতে নেওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু আগেই পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে তাকে ঢাকা থেকে উদ্ধার করে। পরে তার অসুস্থ্য অবস্থা দেখে মেডিসিন ও নিউরোলজী চিকিৎসককে দেখান। পরে ১৪ সেপ্টেম্বর আমাদের নিকট লিখিত অভিযোগ দিলে আমরা প্রয়োজনীয় তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে রাতেই এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে আসামীদের গ্রেফতার করি।

লালমনিরহাট সদর থানার ওসি এরশাদুল আলম বলেন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার মেয়েটি ধর্ষকদের চিহ্নিত ও ঘটনাস্থল নিশ্চিত হওয়ার পর ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ওই মামলায় দুই ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এটি একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা হিসেবেই আমরা তদন্ত করছি। প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে, মেয়েটিকে পাচার করার উদ্দেশ্যে একটি চক্র সক্রিয় ছিল। আমরা অন্য আসামীদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছি। ধৃত আসামীদের বিকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

 

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রংপুর সংবাদ.কম
Theme Customization By NewsSun