রংপুর সংবাদ » পাঞ্জাবকে স্বাধীন করতে সহায়তা দিচ্ছে পাকিস্তান, অভিযোগ ভারতের

পাঞ্জাবকে স্বাধীন করতে সহায়তা দিচ্ছে পাকিস্তান, অভিযোগ ভারতের


রংপুর সংবাদ ডিসেম্বর ২৭, ২০১৯, ২:২৯ অপরাহ্ন
পাঞ্জাবকে স্বাধীন করতে সহায়তা দিচ্ছে পাকিস্তান, অভিযোগ ভারতের

অনলাইন ডেস্কঃ

ভারত ও পাকিস্তান সম্প্রতি কর্তারপুর করিডরের কার্যক্রম শুরুতে সম্মত হয়। এর ফলে পাকিস্তানে অবস্থিত পবিত্র দরবার সাহিবে যাওয়ার পথ সুগম হয় ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের। এ করিডরটি করতারপুরের দরবার সাহিবের সাথে ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের ডেরা বাবা নানকের পবিত্র স্থানকে যুক্ত করেছে। ভারতের অভিযোগ, কর্তারপুর করিডর খুলে দিয়ে পাকিস্তান আসলে শিখতে সহানুভূতি জিততে চেয়েছে।

এর মাধ্যমে তারা দেশের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার সার্ভিস ইন্টেলিজেন্স সমর্থিত ‘রেফারেন্ডাম ২০২০’ এগিয়ে নিয়ে যায়। রেফারেন্ডাম ২০২০ কনভেনশনের একই সময়টাতেই গুরু নানকের ৫৫০তম জন্মবার্ষিকী।

ভারত থেকে পাঞ্জাবের স্বাধীনতার দাবিতে শুরু হওয়া রেফারেন্ডাম ২০২০ কর্মসূচিতে সহায়তা দিচ্ছে পাকিস্তান এমন অভিযোগ ভারতের।

২০০৭ সাথে গঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক দল শিখ ফর জাস্টস (এসএফজে)। এর নেতৃত্বে আছেন পাঞ্জাব ইউনিভার্সিটির স্নাতক এবং সংগঠটির আইন উপদেষ্টা গুরুপাতান্ত সিং পান্নুন ও অবতার সিং পান্নুন। তারা দুইজন রেফারেন্ডাম ২০২০ এর বিষয়ে অনলাইন নিবন্ধন ও ভোট প্রদানের জন্য শিখ সম্প্রদায়ের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহে ভারতীয় অভিবাসীদের নিয়োগ দিয়েছে এমন খবর পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন এবং কানাডায় এদের ৮-১০ জন কর্মী আছেন, এবং ভারতেও তাদের ‘নগন্য’ সমর্থক গোষ্ঠী আছে। পাঞ্জাবে সহিংসতা ছড়াতে এসইজে চরমপন্থী শিখদের অর্থায়ন করছে।

এসএফজে ২০২০ সালের নভেম্বরে রেফারেন্ডামের জন্য একটি নির্বাচনের পরিকল্পনা করছে। উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, কেনিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যে পাঞ্জাবদের লক্ষ্য করে অনলাইনের মাধ্যমে এ নির্বাচন করতে চাইছে তারা। পাঞ্জাবকে জাতীয় রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে মতামত সংগ্রহে এ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। ৫০ লাখ ভোট পাওয়ার প্রত্যাশা করছে এসএফজে। প্রত্যাশিত ফল পেলে তারা নির্বাচনের ফল জাতিসংঘে উপস্থাপন করবে।

এসএফজে নিজেদের মানবাধিকার গোষ্ঠী বলে দাবি করে। পাকিস্তানের সঙ্গে তাদের যোগসূত্র আছে এবং তাদের ওয়েবসাইট করাচি থেকে পরিচালিত হয় এমন খবর বিশ্বাসযোগ্যসূত্রে পাওয়া গেছে। পাঞ্জাবের তরুণদের তারা চরমপন্থী ভাবাদর্শে উদ্ধুদ্ধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। পাঞ্জাবের গ্যাংস্টারদের সহায়তা পাওয়ারও চেষ্টা চালাচ্ছে তারা। এসএফজে ভারতের অবৈধ কর্মকাণ্ড (প্রতিরোধ) আইন ১৯৬৭ এর দ্বারা নিষিদ্ধ। এর মোবাইল অ্যাপ ২০২০ শিখ রেফারেন্ডাম প্লেস্টোর থেকে সরিয়ে নিয়েছে গুগল। রোহিঙ্গা ইস্যু ব্যবহার করেও সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করেছে এসএফজে। তারা রোহিঙ্গাদের জন্য সহায়তা চেয়ে কর্মসূচি চালিয়েছে এবং শিবির স্থাপন করেছে।