1. rkarimlalmonirhat@gmail.com : Rezaul Karim Manik : Rezaul Karim Manik
  2. kibriyalalmonirhat84@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  3. mukulrangpur16@gmail.com : Saiful Islam Mukul : Saiful Islam Mukul
  4. maniklalrangpur@gmail.com : রংপুর সংবাদ : রংপুর সংবাদ
বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ, আ'লীগ নেতাসহ গ্রেফতার ৬ - রংপুর সংবাদ
শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন

বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ, আ’লীগ নেতাসহ গ্রেফতার ৬

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ মে, ২০২২

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃরংপুরের পীরগঞ্জ শানেরহাট পাহাড়পুর গ্রামে হাইকোর্টের নির্দেশে সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে দিতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে পুলিশ। এসময় পুলিশের সাথে অপর পক্ষের ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতিতে নারী পুলিশসহ ৬ পুলিশ সদস্য আহতর ঘটনা ঘটে। সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মাস্টার, তার স্ত্রী, কন্যা ও বোনসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও পল্লী বিদ্যুৎ সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সাল থেকে মিজানুর রহমান মাষ্টার পাহাড়পুর মৌজায় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের একটি গভীর নলকূপ অপারেটর হিসেবে পরিচালনা করে আসছেন।

সম্প্রতি একই মৌজায় নিজস্ব জমিতে কাজীপাড়া গ্রামের হামিদ সরদারের ছেলে রশিদ সরদার সেচ পাম্প স্থাপনে উপজেলা সেচ কমিটির কাছে আবেদন করেন। সেচ কমিটি তদন্তের পর রশিদ মিয়াকে গভীর নলকূপ স্থাপনে অনুমতি প্রদান করে। ওই ঘটনা মিজানুর রহমান জানতে পেরে অল্প দূরত্বে দুটি গভীর নলকূপ পরিচালনা সম্ভব নয় মর্মে রশিদ মিয়ার অনুমোদন বাতিলে সেচ কমিটির কাছে আবেদন করে। তখন সেচ কমিটি রশিদ মিয়ার গভীর নলকূপ স্থাপনের কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত করে।

কয়েক মাসে এই ঘটনার সুরাহা না হওয়ায় উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন রশিদ মিয়া। হাইকোর্ট (পিটিশন নং-৪৩২১) ১০ কার্যদিবসের মধ্যে রশিদ মিয়ার সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগের নির্দেশ প্রদান করেন।

জানা গেছে, রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর ডিজিএম এ বিষয়ে পুলিশী সহায়তা চেয়ে ৮ এপ্রিল পীরগঞ্জ থানায় লিখিত আবেদন করেন। ওই আবেদনের প্রেক্ষাপটে বুধবার (১১ মে) বিকেলে পুলিশ পল্লী বিদ্যুৎ লোকজন ঘটনাস্থলে যায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার জন্য।

এসময় শানেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মাস্টার তার পরিবারের লোকজন ও স্বজনরা বাধা দেয়। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যের সাথে ধাক্কাধাক্কি, ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতি। এতে দু’নারী পুলিশ সদস্য গোলেনুর ও জান্নাতুল আহত হলে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। বাধে সংঘর্ষ। মিজান মাস্টারের লোকজনও ইটপাটকেল ছোড়ে পুলিশের ওপর।সংঘর্ষে নায়েক ফারুক উজ জামান, কন্সটেবল তারেক, কামরুল, আরিফুলসহ ছয় পুলিশ এবং মিজান মাস্টারের পক্ষের অন্তত ১৫ জন জন আহত হয়।

ঘটনাস্থল থেকে এ সময় পুলিশ ধল্লাকান্দী গ্রামের মেহের উদ্দিনের পুত্র ও শানেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মাষ্টার (৩৬), তার স্ত্রী বিজলী (৩২, কন্যা মীম আক্তার (১৬), বোন বড় পাহাড়পুর গ্রামের মোনাজ উদ্দিনের স্ত্রী মিরা বেগম (৪), অপর বোন প্রথমডাংগা গ্রামের লালমিয়ার স্ত্রী মমতা বেগম (৩৫) ও নিকট আত্মীয় ধল্লাকান্দী গ্রামের মৃত ফয়েজ উদ্দিনের স্ত্রী রুপিয়া বেগমকে (৬০) আটক করে । পরে রাতেই তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

পীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ পালনে পল্লীবিদ্যুতের আবেদনের প্রেক্ষাপটে ঘটনা স্থলে পুলিশের উপস্থিতি ঘটে। মিজান মাষ্টার ও তার পরিবারের লোকজন হাইকোর্টের আদেশ বাধা দেয়। এবং পুলিশের ওপর হামলা চালায় এতে ছয় পুলিশ সদস্য আহত হয়। এ ঘটনায় ওয়েদার মাস্টারসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১-এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আসাদুজ্জামান জানান, ১০ কার্য দিবসের মধ্যে হাইকোর্টের আদেশ পালনে ওই সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হই। তারা আমাদের ওপর হামলা চালায়

 

 

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রংপুর সংবাদ.কম
Theme Customization By NewsSun