রংপুর সংবাদ » ১৪ স্থলবন্দরে ‘কেমিক্যাল টেস্টিং ইউনিট’ স্থাপনে প্রতিবেদন হাইকোর্টে

১৪ স্থলবন্দরে ‘কেমিক্যাল টেস্টিং ইউনিট’ স্থাপনে প্রতিবেদন হাইকোর্টে


রংপুর সংবাদ জানুয়ারী ১৭, ২০২১, ৮:০৫ অপরাহ্ন
১৪ স্থলবন্দরে ‘কেমিক্যাল টেস্টিং ইউনিট’ স্থাপনে প্রতিবেদন হাইকোর্টে

স্টাফ রিপোর্টার।  বিদেশ থেকে আমদানি করা ফলে রাসায়নিকের মাত্রা পরীক্ষার জন্য দেশের ১৪টি স্থলবন্দর তথা শুল্ক স্টেশনে ‘কেমিক্যাল টেস্টিং ইউনিট’ স্থাপনের কাজ শুরু করেছে সরকার। এর মধ্যে পাঁচটি ইউনিট সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে এবং ৯টি ইউনিট এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে স্থাপন করা হবে। এ ছাড়া ঢাকায় একটি সেন্ট্রাল ল্যাবরেটরি তৈরির লক্ষ্যে গঠিত কমিটি ডিপিপি প্রণয়নের কাজ করছে। ডিপিপির কাজ শেষ হলে জমি অধিগ্রহণের প্রাথমিক কাজ শুরু হবে বলে আশা করা যায়। যদিও কভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে এ কাজ বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে হাইকোর্টকে। স্থলবন্দরগুলোতে ‘কেমিক্যাল টেস্টিং ইউনিট’ স্থাপনের অগ্রগতি সম্পর্কিত এনবিআরের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। রবিবার এ প্রতিবেদন পাওয়ার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। সোমবার এ প্রতিবেদন হাইকোর্টে উপস্থাপন করা হবে বলে তিনি জানান। মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) করা এক রিট আবেদনে হাইকোর্ট গত বছরের ২৩ জুন এক আদেশে বিদেশ থেকে আমদানি করা ফলে রাসায়নিকের মাত্রা পরীক্ষার জন্য দেশের সব বন্দরে যন্ত্র বসাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে এনবিআর চেয়ারম্যানকে এ নির্দেশ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় এনবিআর এ প্রতিবেদন দাখিল করে। এইচআরপিবির পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।
এর আগে গত বছরের ২৫ আগস্ট এনবিআরের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে দেওয়া এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এনবিআরের অধীনে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সারা দেশে ছয়টি কাস্টম হাউস এবং ১৪টি শুল্ক স্টেশনের মাধ্যমে ফল আমদানির সুযোগ রয়েছে। তবে ছয়টি কাস্টম হাউসের মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বেনাপোলের মাধ্যমে ফল আমদানি করা হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রামে একটি অত্যাধুনিক রাসায়নিক ল্যাব রয়েছে। অন্যান্য কাস্টম হাউসে নিজস্ব কোনো রাসায়নিক পরীক্ষাগার না থাকায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ অফিসে আমদানি করা ফল পরীক্ষা করা হয়।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যে ১৪টি শুল্ক স্টেশন সচল রয়েছে, তার মধ্যে ভোমরা, বুড়িমারী, হিলি, বাংলাবন্ধা, সোনামসজিদ, শ্যাওলা, তামাবিল, বিবিরবাজার ও টেকনাফের মাধ্যমে ফল আমদানি হয়ে থাকে। এই ৯টি স্টেশন স্থাপনে এডিবি অর্থায়নে সম্মত হয়েছে।