রংপুর সংবাদ » নুর আহত নাকি নিহত ‘ডাজ নট ম্যাটার’: রাব্বানী

নুর আহত নাকি নিহত ‘ডাজ নট ম্যাটার’: রাব্বানী


রংপুর সংবাদ ডিসেম্বর ২২, ২০১৯, ১০:০৫ অপরাহ্ন
নুর আহত নাকি নিহত ‘ডাজ নট ম্যাটার’: রাব্বানী

নিউজ ডেস্কঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর ও তার অনুসারীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে।

রোববার বেলা পৌনে ১টার দিকে এ হামলা চালানো হয়।ভিপি নুরসহ হামলায় আহতরা হলেন- সোহেল, ইমরান, হাসান মামুন, নাজমুল, মামুন, জাহিদ, বিপ্লব, আরিফ, সুমন, আমিনুল প্রমুখ।

এদিকে ভিপি নুরের ওপর হামলার পর বেফাঁস মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিলেন ডাকসুর জিএস গোলাম রাব্বানী।

তিনি বলেছেন, ‘নুরুল হক নুর আহত নাকি নিহত হয়েছেন, ডাজ নট ম্যাটার’।একই সঙ্গে ভিপি নুরকে আর ডাকসুতে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু চত্বরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। দেশীয় অস্ত্র ও বহিরাগতদের নিয়ে ডাকসু ভিপি নুরুল হক মারামারিতে জড়িয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন জিএস গোলাম রাব্বানী।

ভিপি নুর নিজের দুর্নীতি ঢাকতে ডাকসুকে ব্যবহার করে অরাজকতা করছেন অভিযোগ তুলে রাব্বানী আরও বলেন, নুরের পদত্যাগের মাধ্যমে ডাকসু শান্ত হবে।

নুরদের উপর হামলার বিষয়ে রাব্বানী বলেন, সকাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিরাগতদের নিয়ে ডাকসুতে জড়ো হন নুর। এ সময় তাদের হাতে দেশীয় অস্ত্র, রড ও লাঠি ছিল। পরে ডাকসু ভবনের উপর থেকে নুরের নেতৃত্বে ইট পাটকেল মারা হয়।

নুরের উপর হামলার কথা ডাকসুর কাউকে জানায়নি বলে অভিযোগ করে রাব্বানী বলেন, ডাকসু ভিপি আক্রান্ত হলে কেন আমাদের জানাইনি। আমরা তাকে আশ্রয় দিতাম।

মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতার্মীরা দাবি করেছেন, নুর এবং তার অনুসারীরা ৬ রাউন্ড গুলি ছুড়েছে ওপর থেকে। এ কারণে তারাও নুরদেরকে মারধর করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ডাকসু ভবনের মূল ফটক বন্ধ করে নুরের ওপর লাঠিসোটা নিয়ে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। এ ছাড়া বাইরে থেকেও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা ডাকসুতে ইট-পাটকেল ছুড়ছেন।

জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী এ হামলায় অংশ নেন। এ সময় ডাকসুর সদস্য ও ছাত্রলীগ নেতা রাকিবুল ইসলাম ঐতিহ্য তাদের বাধা দিতে গেলে তাকেও শিবির আখ্যা দিয়ে লাঞ্ছিত করেন তারা।

পরে সূর্যসেন হল সংসদের ভিপি মারিয়াম জামান সোহান এবং জিএস সিয়াম হামলায় অংশ নেন। তারাও লাঠিসোটা নিয়ে ভিপি নুর এবং অনুসারীদের মারধর শুরু করেন।

এসময় সেখানে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা।