রংপুর সংবাদ » রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ দফা দাবিতে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের স্মারকলিপি

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ দফা দাবিতে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের স্মারকলিপি


রংপুর সংবাদ ডিসেম্বর ১০, ২০১৯, ৬:৩২ অপরাহ্ন
রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ দফা দাবিতে  বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের স্মারকলিপি

রংপুর প্রতিনিধিঃ

রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ^বিদ্যালয়ের ঢাকাস্থ লিয়াজোঁ অফিস বন্ধ, নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা সহ ৭ দফা দাবিতে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্টারের কাছে মঙ্গলবার দুপুরে স্মারক লিপি প্রদান করেছে।

এর আগে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের সভাপতি কমলেশ চন্দ্র রায়, সাধারন সম্পাদক মশিউর রহমানের নেতৃত্বে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধিদল প্রশাসনিক ভবনে গিয়ে উপাচার্যকে না পেয়ে রেজিষ্টার আবু হেনা মোস্তফা কামালের কার্যালয়ে গিয়ে ৭ দফা দাবি সম্বলি স্মারক লিপি প্রদান করেন।

দাবিগুলো হলো, বিশ^বিদ্যালয়ের ঢাকাস্থ লিয়াজো অফিস বন্ধ করা। বিশ^বিদ্যালয়ের সিনেট, সিন্ডিকেট, অর্থকমিটির সভা, নিয়োগ বোর্ড, পদোন্নতি বোর্ড সহ সকল সভা-সেমিনার বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে করা। নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা আনা এবং ইউজিসি কর্তৃক অনুমোদিত ফাউন্ডেশন ট্রেনিং বন্ধ করা। ক্যাম্পাসে রাষ্ট্রয়ত্ব ব্যাংক এর শাখা স্থাপন করে বিশ^বিদ্যালয়ের সকল প্রকার আর্থিক লেনদেন পরিচালিত করা। ৩১তম সিন্ডিকেট সভার সিন্ধান্ত মোতাবেক রসায়ন বিভাগের প্রভাষক জাকির হোসেনের সকল সমস্যা সমাধান করা।

লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মন্ডলসহ যারা উচ্চতর ডিগ্রির জন্য আবেদন করেছেন তাদের ছুটি সহ প্রয়োজনীয় সহযোগীতা করা এবং শিক্ষাছুটি বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়ন , আইন অমান্য করে উপাচার্য নিজে যে সব পদের দায়িত্ব আকড়ে ধরে আছেন সেসব পদে বিধি মোতাবেক নিয়োগ দেয়া।

এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের সাধারন সম্পাদক এ প্রতিনিধিকে বলেন,আমরা ৭ দফা দাবি সম্বলিত স্মারক লিপি প্রদান করেছি আমাদের দাবি মানা না হলে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূুচি ঘোষনা করতে আমরা বাধ্য হবো। তিনি বলেন বর্তমান উপাচার্য রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করার সময় অনেক স্বপ্নের কথা বলেছিলেন কিন্তু কিছু দিন যেতে না যেতেই তিনি দিনের পর দিন বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেননা। বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বাধুনিক সকল অবকাঠামো গত সুবিধা থ্কাার পরেও ঢাকার লিয়াজো অফিসকে তিনি ব্যাক্তিগত প্রতিষ্ঠানে পরিনত করেছেণ সেখানে নিয়োগ সহ সকল নীতি নির্ধারনী মিটিং সহ বিভিন্ন কর্মকান্ড করছেন। তার দীর্ঘ অনুপস্থিতির কারনে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।

সে কারনে আমরা হয়ে আন্দোলনে যাবার স্দ্ধিান্ত নিয়েছি বলে জানান তিনি। এর আগে বেলা ১১ টার দিকে বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে বিজয় র‌্যালি বের করে বঙ্গবন্ধু পরিষদ।

র‌্যালিটি বিশ^বিদ্যালয় থেকে রংপুর নগরীর মডার্ণ মোড় প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের শেখ রাসেল মিডিয়া চত্তরে এসে শেষ হয়।

সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি কমলেশ চন্দ্র রায়, সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মন্ডল প্রমূখ।

সমাবেশে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান বলেন, স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরেও স্বাধীনতা বিরোধীরা এখনও সক্রিয় আছে বিভিন্ন জায়গায়। তারা বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত রেখে যাওয়া কাজকে সম্পুর্ণ করতে বাধা প্রদান করছে।

এমনকি এ বিশ^বিদ্যালয়েও কাজ করতে বাধা দিচ্ছে। তিনি আরো বলেন ক্যাম্পাসে বঙ্গবন্ধরু প্রতিকৃতি নির্মাণ সহ ১১ দফা দাবিতে স¥ারকলিপি দিয়েছিলাম আড়াই বছর আগে তার একটিও বাস্তবায়ন করেনি এই উপাচার্য।