1. rkarimlalmonirhat@gmail.com : Rezaul Karim Manik : Rezaul Karim Manik
  2. kibriyalalmonirhat84@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  3. mukulrangpur16@gmail.com : Saiful Islam Mukul : Saiful Islam Mukul
  4. maniklalrangpur@gmail.com : রংপুর সংবাদ : রংপুর সংবাদ
যে গ্রামে নেই পুরুষ - রংপুর সংবাদ
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন

যে গ্রামে নেই পুরুষ

আরফাতুন নাবিলা
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১

কেনিয়ার উমোজা গ্রামের বাসিন্দা প্রায় ৫০ জন নারী। তারা সবাই কোনো না কোনোভাবে অত্যাচারিত হয়ে আশ্রয় পেয়েছেন এই গ্রামে এসে। এখানে প্রায় ২০০ শিশু থাকলেও, কোনো পুরুষ নেই। পুরুষবিহীন গ্রামে নারীরা নিজেরাই আয় করে জীবন চালান। ভিন্নধর্মী এ গ্রাম নিয়ে লিখেছেন আরফাতুন নাবিলা

কেনিয়ার উমোজা সম্প্রদায়

গুরখা ইউনিফর্ম (ব্রিটিশ সার্ভিসের জন্য পরতে হয় এ পোশাক) পরিহিত তিনজন ব্যক্তি ধর্ষণ করেছিল জেনকে। তিনি তার স্বামীর ছাগল ও ভেড়া চরাতে এবং কাঠ নিয়ে আসার সময় আক্রমণের শিকার হয়েছিলেন। ঘটনাটি জেনকে ভীষণভাবে আঘাত করেছিল। জেন বলেন, ‘আমার ভীষণ লজ্জা লেগেছিল। আমার সঙ্গে যে অন্যায় করা হয়েছে তা নিয়ে কাউকে বলতে পারিনি।’ এই ঘটনার পর চল্লিশোর্ধ্ব জেনের বয়স যেন আরও বেড়ে গিয়েছিল। তাকে যখন ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় তখন পাথরের সঙ্গে ধাক্কা লেগে তার পা কেটে যায়। জেন কাউকে সরাসরি না জানালেও শাশুড়ি ও স্বামীকে বোঝানোর চেষ্টা করতেন তার অসুস্থতার বিষয়টি। ‘তাদের আমি প্রায়ই বলতাম আমার খারাপ লাগছে। কারণ শরীরের ব্যথা আর বিষণ্নতা নিয়ে পরিবারকে কিছু তো বলতে হতো। আমাকে স্থানীয় ওষুধ দেওয়া হতো। কিন্তু তাতে আমি সুস্থ হইনি। যখন আমার স্বামী ধর্ষণের বিষয়টি জানলেন, তিনি আমাকে ভীষণ মেরেছিলেন। আমি অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলাম। এরপর সন্তানদের নিয়ে আমি বাড়ি থেকে পালিয়ে যাই।’ কথাগুলো বলছিলেন উত্তর কেনিয়ার সামবুরু গ্রামের উমোজা নামে এলাকার বাসিন্দা জেন।

আজ থেকে প্রায় ২৫ বছর আগে তিনি এই গ্রামে আসেন। জেনের এখনো মনে পড়ে, সেদিন ভীষণ রোদের তাপ ছিল। বাচ্চারা ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিল। গ্রামে প্রবেশের আগে দেখতে পেলেন চারপাশ তলোয়ার দিয়ে ঘেরা। আশপাশে ছাগল ও মুরগি ঘুরে বেড়াচ্ছে, বাঁশ দিয়ে বানানো মাচার ওপর বসে নারীরা গহনা বানাচ্ছে, একে অন্যের সঙ্গে কথা ও হাসাহাসির মধ্যেও তাদের আঙুল চলছিল দ্রুতগতিতে। শুকনো গোবর, বাঁশের ওপর কাপড় শুকাতে দেওয়া হয়েছে। এখানকার নিস্তব্ধতা ভেঙেছিল পাখির ডাকে। জেন প্রথম এসে গ্রামকে যেভাবে দেখেছিলেন, গ্রামটি আজও তেমন আছে। অন্যান্য অনেক গ্রামের দৃশ্যও হয়তো এমন। তবে পার্থক্য একটাই। উমোজা গ্রামে কোনো পুরুষ নেই।

জেন বলেন, ‘এই গ্রামে আমাকে অভিবাদন জানানো হয় নারীদের নাচ-গানের মধ্য দিয়ে। তারা সবাই প্যাটার্নযুক্ত স্কার্ট, উজ্জ্বল রঙের শার্ট ও ঘাড়ে কাঙ্গা (মালার মতো গলায় পেঁচিয়ে রাখার একটি জিনিস) পরেছিল সেদিন। তাদের গলার নেকলেসগুলো রঙিন বিডস দিয়ে বানানো ছিল। প্রচণ্ড রোদে, তাদের পোশাকগুলো যেন আরও উজ্জ্বল দেখাচ্ছিল।’

উমোজা প্রতিষ্ঠা

১৯৯০ সালে এই গ্রামটি খুঁজে বের করেন ১৫ জন নারী। তারা সবাই স্থানীয় ব্রিটিশ সেনাদের কাছে ধর্ষিত হয়েছিলেন। বাল্যবিবাহ, ঘরোয়া সহিংসতা, ধর্ষণ থেকে পালিয়ে আসা নারীদের নিয়ে উমোজায় এখন নারীসংখ্যা আগের চেয়ে বেড়েছে। উমোজার রীতি এই নারীদের আশ্রয় দেওয়া।

উমোজার প্রতিষ্ঠাতা রেবেকা ললোসোলি। তাকে সবাই এই গ্রামের মা বলেন। নব্বই দশকের শুরুতে একদল পুরুষের হাতে ভীষণ মার খেয়ে তিনি যখন হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছিলেন, তখন তার ভাবনায় নারীদের দিয়ে এই সম্প্রদায় তৈরির কথা ভাবনায় আসে। তাকে মারের কারণ ছিল, তিনি গ্রামে নারীদের অধিকার নিয়ে কথা বলতে গিয়েছিলেন। তাকে শিক্ষা দেওয়ার জন্যই মার দেওয়া হয়। মাসাই গোত্রের সঙ্গে উমোজার বেশ মিল রয়েছে। তারা একই ভাষায় কথা বলেন। ৫-১০ পরিবার মিলে একটি গ্রুপ হয়ে একত্রে বাস করেন তারা। নিজেদের আধা যাযাবর যাজক বলে পরিচয় দেন এখানকার নারীরা। তাদের সংস্কৃতি পুরুষতান্ত্রিক নিয়মেই চলে। গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ সালিশগুলোতে দেখা যায় পুরুষরা মধ্যখানে বসেছেন, নারীরা বসেছেন বাইরে। বিশেষ প্রয়োজনেই কেবল তাদের মতামত নেওয়া হয়। উমোজাতেও ঠিক তেমন হয়। শুধু পার্থক্য, এই সালিশের সবাই নারী।

উমোজার প্রথম সদস্য সামবুরু গ্রাম থেকে বিতাড়িত হয়ে এখানে এসেছিলেন। সে থেকে, কোনো নারী অথবা অল্প বয়সী মেয়ে গ্রাম থেকে বিতাড়িত হয়ে এই এলাকার নাম শুনে এখানে আসে, অনেকের সঙ্গে তার সন্তানও থাকে। তাদের সবাই এখানে উষ্ণ অভ্যর্থনা পান। পুরুষদের অত্যাচার ও বৈষম্য থেকে বেঁচে সবাই এখানে এসে নির্দ্বিধায় বাঁচেন। জীবন চালানোর জন্য ছোট ব্যবসা করেন। নিজেদের খাবার, পোশাক ও আশ্রয়ের সুরক্ষা তারা নিজেরাই করেন। বর্তমানে উমোজাতে প্রায় ৫০ জন নারী ও ২০০ এরও বেশি ছেলেমেয়ে আছে।

আয়ের মাধ্যম

গ্রামের দলনেতারা নদী থেকে এক কিলোমিটার দূরে একটি ক্যাম্প পরিচালনা করেন। সেখানে পর্যটকরা এসে থাকেন। এদের মধ্যে অনেকেই আশপাশের গ্রামসহ উমোজাতেও ঘুরতে আসেন। বাইরের যে কাউকে উমোজাতে প্রবেশ করতে হলে নির্দিষ্ট একটি ফি প্রদান করতে হয়। নারীরা আশা করেন, পর্যটকরা এসে তাদের হাতে বানানো গহনা কিনবে। অনেকেই নিজেদের পছন্দমতো গহনা বানিয়ে নিয়ে যান উমোজার নারীদের কাছ থেকে।

ললোসোলি উচ্চতায় বেশ লম্বা একজন নারী। দলনেতা হিসেবে তার গলায় সামবুরু বিডস দিয়ে বানানো গহনা বেশিরভাগ সময়ই চোখে পড়ে। এই গ্রাম তৈরির জন্য স্থানীয় অনেক পুরুষ নেতাদের কাছ থেকে তাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি অনড় ছিলেন নিজের সিদ্ধান্তে। ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে একজন নারী এতগুলো নারীর আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছেন, বিষয়টি সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।

অনন্য বৈশিষ্ট্য

উমোজা সম্প্রদায়ের নারীরা যে শুধু এখানে আসা নারীদের সঙ্গে নিয়ে টিকে থাকেন তা নয়। তাদের অনন্য আরেকটি বৈশিষ্ট্য আছে। সামবুরু গ্রামসহ আশপাশের গ্রামে তারা নারী ও মেয়েদের মধ্যে নানা বিষয়ে .. দেয়। সামবুরু সংস্কৃতিতে অরনেট বিড দিয়ে বানানো গহনা সবচেয়ে বেশি পরিচিত। মেয়েরা তাদের বাবার কাছ থেকে ‘বিডিং’ নামে একটি অনুষ্ঠান থেকে প্রথম গলার মালা উপহার পায়। উপহার পাওয়া আনন্দের বিষয় হলেও মেয়েদের জন্য মোটেও সেটি আনন্দের ছিল না। এমন আয়োজন করে বাবা তার মেয়ের জন্য একজন বয়স্ক ব্যক্তি ঠিক করতেন যার সঙ্গে মেয়ের অস্থায়ী বিয়ে দেওয়া হতো। এ বিয়েতে প্রেগন্যান্ট হওয়া নিষিদ্ধ ছিল। আবার কোনো ধরনের গর্ভনিরোধকও পাওয়া যেত না। কিশোরী মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়লে তাকে অন্য গ্রাম থেকে দাই মা নিয়ে এসে জোর করে গর্ভপাত করা হতো। এসব বিষয় নিয়ে উমোজার নারীরা অন্য নারী ও মেয়েদের প্রশিক্ষণ দেন।

উমোজার নারীদের বানানো একটি অ্যাকাডেমি স্কুলও আছে। এই স্কুলের প্রধান মিলকা বলেন, ‘একটি মেয়ের যদি অল্প বয়সে বিয়ে হয়, তবে সে কখনোই যথাযথ অভিভাবক হয়ে উঠতে পারে না। সন্তান জন্মদানের সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাকে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়।

অল্প বয়সী হওয়ার কারণে তাদের তলপেটে বেশি ব্যথা ও রক্তপাত হয়। এমনকি নিজেদের দায়িত্ব ও ঘরের কাজ করতেও তাদের কষ্ট হয়। অল্প বয়সেই তাদের দিয়ে গৃহপালিত পশুর যতœ নেওয়ার জন্য বাধ্য করা হয়।’

মেমুসি নামে একজন নারী আছেন উমোজায়। ছটফটে, দুরন্ত এই মেয়েটিকে ১৯৯৮ সালে ১১ বছর বয়সে তার বাবা একটি গরুর বিনিময়ে ৫৭ বছর বয়সী এক লোকের কাছে বিক্রি করে দিয়েছিল। বিয়ের পরদিন অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে তিনি পালিয়ে এসেছিলেন উমোজায়। তখন থেকে এখানে থেকেই গহনা বিক্রি করে নিজের খরচ চালান মেমুসি।

এখানে সব নারীর জীবনেই কোনো না কোনো করুণ গল্প আছে। নাগুসি নামে মধ্যবয়সী একজন নারী এখানে এসেছিলেন পাঁচ সন্তান নিয়ে। তিনি বলেন, ‘আমি এখানে এসে সেসব বিষয়ে শিখেছি যা আমাদের জন্য নিষিদ্ধ ছিল। আমাকে সবাই বলেছে অর্থ আয়ের মধ্যে কোনো অন্যায় নেই। আমি এখন গহনা বানাই। পর্যটকরা এসে যখন আমার গহনা কেনে তখন আমার খুব ভালো লাগে।’

১৩ বছর বয়সে উমোজায় এসেছিলেন চঞ্চল মেয়ে জুডিয়া। পণ্যের বিনিময়ে জোর করে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল তার সঙ্গে। বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে উমোজায় চলে আসেন তিনি। বিডস দিয়ে বানানো রঙিন মালা বিক্রি করে এখন বেশ ভালো আছেন তিনি। জুডিয়া বলেন, ‘প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আমার আনন্দ হয়। এখানে আমি সবার কাছ থেকে সাহায্য পাই। সবাই সবাইকে ভালোবাসে।’

উমোজার শিশুরা

নারীকেন্দ্রিক এ গ্রামে দেখা যায় অনেকগুলো শিশুকেও। এখানে তাদের জন্য স্কুলও আছে। মায়েদের সঙ্গে তারাও এখানে নির্দ্বিধায় থাকতে পারে। তারা পুরুষদের অপছন্দ করে এমন নয়। এখানে শুধু তাদের প্রবেশ নিষেধ। কিন্তু নারীদের সঙ্গে শিশুদের প্রবেশে এখানে কোনো বাধা নেই। কোনো নারী যদি অবিবাহিত মা হয়, তবু এখানে তার থাকতে বাধা নেই। কারণ তার অবস্থার জন্য সে কোনোভাবেই একা দায়ী নয়।

এই গ্রামে লতুকই নামে কেবল একজন পুরুষ আসা-যাওয়া করেন। প্রতিদিনই তিনি এখানে আসেন। সূর্য ডোবার আগে চলে যান। শিশুর পরিচর্যা, রান্না, কাঠ সংগ্রহ নারীরা করেন, তাদের পশু দেখাশোনায় সাহায্য করেন তিনি।

প্রতিবেশী গ্রাম

উমোজায় নারীরা স্বাধীনভাবে বাস করেন। আর এই বিষয় নিয়ে প্রতিবেশী গ্রামগুলোতে সব সময় নেতিবাচক আলোচনা হয়। তাদের অন্য গ্রামের পুরুষরা খারাপ নারী বলেন। অথচ তারা নিজেদের চোখে তাদের কখনো খারাপ কাজ করতে দেখেননি। উমোজার পাশের একটি গ্রামে স্যামুয়েল নামে একজন বয়স্ক ব্যক্তি আছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের গ্রামে বেশিরভাগ পুরুষেরই তিন চারজন করে বউ আছে। কই তাদের তো থাকতে অসুবিধা হচ্ছে না। উমোজায় নারীদের বেশিরভাগেরই বিয়ে হয়নি। তাদের মধ্যে কয়েকজন ধর্ষিতাও আছেন। কারও আবার বাল্যবিবাহও হয়েছিল। তারা ভাবে পুরুষ ছাড়া থাকা সম্ভব। মোটেও তা সম্ভব নয়। তাদের এই যে এতগুলো ছেলেমেয়ে এরা কীভাবে এলো? ওদের কাছে রাতে পুরুষরা আসে। কিন্তু কেউ ওদের দেখতে পায় না।’

নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর পর উমোজার নারীরা আর কোনো পুরুষের নেতিবাচক কথা শোনার প্রয়োজন মনে করেন না। কারণ একবার অত্যাচারিত হয়ে এসেছেন তারা সবাই। তারা জানেন জীবন তাদের জন্য সহজ নয়।

মহামারীতে তাদের বেঁচে থাকা কিছুটা কঠিন হয়েছে। কারণ তাদের মূল আয় হতো পর্যটকদের কাছে মালা বিক্রি করে। পর্যটক ভ্রমণ বন্ধ করায় তাদের মালা কেনার মতো মানুষ নেই আপাতত। তাই তাদের আয় বলতে গেলে বন্ধ। যার কাছে যা জমানো আছে তাই দিয়ে কষ্ট করে খরচ চালাতে হচ্ছে তাদের। উমোজার নারীরা বিশ্বাস করেন, দ্রুত এই সময় পার হয়ে যাবে। আবারও সব স্বাভাবিক হবে।

সম্পদের ভাগ

কেনিয়ার সংবিধান অনুযায়ী, পারিবারিক সম্পত্তিতে নারীদের সমান ভাগ । কিন্তু বাস্তবে বাবাদের থেকে ছেলেদের কাছে সম্পত্তি উত্তরাধিকার সূত্রে চলে যায়। নারীদের নিজেদের জমির মালিক হওয়া তাই কঠিন। কেনিয়ার মাত্র দুই শতাংশ নারী নিজেদের জমির মালিক। সামবুরু চেষ্টা করছে পুরুষদের মতো নারীরাও যেন নিজেদের জমির মালিকানা পায়। উমোজা গ্রাম থেকে এক কিলোমিটার দূরে একটি জায়গা কয়েকজন নারী মিলে চাঁদা তুলে ও নিজেদের জমানো অর্থ দিয়ে কিনেছে। সরকারও এই সম্প্রদায়ের নামে জায়গা লিখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদি এটি বাস্তবায়ন হয়, তবে উমোজার নারীদের সামবুরু ও স্থানীয় সম্প্রদায়দের কাছ থেকে জমি ও পানি নিয়ে সব সময় লড়াই করতে হবে না।

উমোজার নারীরা শুধু নিজেদের জন্য লড়াই করছে তা নয়, আশপাশের গ্রামের নারীরা যেন নিজেদের সম্পত্তি নিয়ে সচেতন হয় তা নিয়েও কাজ করছে। একজন নারী যখন স্বামীর বাড়ি থেকে চলে আসেন, তাদের যেন নিজেদের জায়গার অভাব না হয় তাই চান তারা। নারীদের অধিকার নিশ্চিত করতে একদল নারী মিলে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন নিঃশব্দে।

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রংপুর সংবাদ.কম
Theme Customization By NewsSun
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com